Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৩৭, ১০ জুন ২০২৬

পারমাণবিক ওয়ারহেড অস্ত্র মোতায়েন ভারতের!—দাবি রিপোর্টে

পারমাণবিক ওয়ারহেড অস্ত্র মোতায়েন ভারতের!—দাবি রিপোর্টে
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পারমাণবিক নীতিতে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিয়েছে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি) এর সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ভারত কিছু পারমাণবিক ওয়ারহেডকে ‘অপারেশনালভাবে মোতায়েন’ অবস্থায় রেখেছে, যা এতদিনের প্রচলিত ‘স্টোরেজ-ভিত্তিক’ নীতি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতদিন ভারত তার পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ক্ষেপণাস্ত্র বা বহনকারী প্ল্যাটফর্ম আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতো। অর্থাৎ শান্তিকালীন অবস্থায় অস্ত্র ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা একসঙ্গে সংযুক্ত থাকতো না। তবে নতুন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এবার প্রায় ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেডকে অপারেশনাল অবস্থায় রাখা হয়েছে বা লঞ্চার–ভিত্তিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

সিপ্রির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ পরিবর্তন মূলত ভারতের সামরিক প্রস্তুতির নতুন ধাপকে নির্দেশ করছে। প্রস্তুত-ব্যবহারযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্র যদিক্ষেপণাস্ত্র সাইলো বা পারমাণবিক সাবমেরিনে (এসএসবিএন) মোতায়েন করা হয়, তবে তা কৌশলগত প্রতিরোধ ক্ষমতার উচ্চতর স্তরের ইঙ্গিত বহন করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত এক বছরে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভারতের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা আনুমানিক ১৯০, যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। এ অস্ত্রসমূহ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা এবং পারমাণবিক সাবমেরিন—এ তিন স্তরের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ কাঠামোর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

সিপ্রি আরও জানায়, কিছু পারমাণবিক ওয়ারহেডকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনে মোতায়েন করা হয়েছে এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহলও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতা আরও ‘ডিটারেন্ট-রেডি’ অবস্থার দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

তবে এখনও ভারতের আনুষ্ঠানিক পারমাণবিক নীতি হলো ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ (NFU)। এ নীতি অনুযায়ী, ভারত কখনও প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না; কেবলমাত্র নিজেদের ভূখণ্ড বা বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সিপ্রির এ পর্যবেক্ষণ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে। একদিকে ভারত নিজেদের প্রতিরোধমূলক অবস্থান বজায় রাখার দাবি করছে, অন্যদিকে কিছু অস্ত্রের অপারেশনাল মোতায়েন ভবিষ্যতে নীতিগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

সূত্র: সিপ্রি, এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

প্রথম হাফটাইম শো, মঞ্চ মাতালেন শাকিরা
ইয়ামালের ঝলক, প্রথমার্ধে চাপে আর্জেন্টিনা
সংস্কার ছাড়া চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস বন্ধ হবে না: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী
জুলাইয়ের চেতনা দিয়ে রাজনীতি করা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আমরা হাসিনার আসার অপেক্ষায় আছি: আইনমন্ত্রী
দেশের স্বার্থে সংস্কারের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে: হাসনাত
সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে ৩০০ কোট, শত কামিজসহ বিলাসপণ্যের ভাণ্ডার
পাসপোর্টে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি; ফিরছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্ত
কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেফতার
বগুড়ার আলোচিত ৩ ইউনিয়নের নতুন নাম অনুমোদন
ক্যানসারের কাছে হার, না ফেরার দেশে জেনিফার
নিষেধাজ্ঞা শিথিলে ৬ বিলিয়ন ডলারের তেল রফতানি করেছে ইরান
১০ গোলের রোমাঞ্চকর থ্রিলার, ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড
পাহাড় থেকে শহীদ জিয়ার লাশ ফেলার নির্দেশ
প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের নারী হকি দল
৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস
ইরানি হামলায় জর্ডানে ২ মার্কিন সেনা নিহত