Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫৫, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় পেলো বাংলাদেশ

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় পেলো বাংলাদেশ
প্রতীকি ছবি

জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশকে আরও তিন বছর সময় দিয়েছে জাতিসংঘ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নিতে পারবে বাংলাদেশ। গত ২৯ অক্টোবর (নিউইয়র্ক সময়) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করে।

সরকারের এক বছরের সমন্বিত উদ্যোগ, কূটনৈতিক তৎপরতা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা ও দর-কষাকষি এবং ব্যবসায়ী মহলের সহযোগিতায় এ সিদ্ধান্ত এসেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ এ উদ্যোগে যুক্ত ছিলো।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে সরকার। আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে সময় বাড়ানোর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা হয়। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প খাতে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়িয়ে পরিকল্পিত ও টেকসইভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করাই ছিলো এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বর্ধিত তিন বছর বাংলাদেশের জন্য সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করা, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে সংস্কার, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ তৈরি করেছে। তবে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বরের মধ্যে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন করে অর্থনীতিকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবস থেকেই তিন বছর সময় বাড়ানোর উদ্যোগে সক্রিয় হন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ব্যবসায়ী মহলের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই সরকারের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর আবেদন করার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

একই দিন ইআরডি জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটির (সিডিপি) কাছে চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়।

সরকারের যুক্তি ছিলো, দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা চ্যালেঞ্জের কারণে নির্ধারিত সময়ে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, কাঠামোগত সংস্কার এগিয়ে নেয়া এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশলের অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ক্যামেরুনের ইয়াউন্ডেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তিনি।

সম্মেলনের ফাঁকে ২৮ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাণিজ্যবিষয়ক কমিশনার মারোস সেফকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে সমর্থন চান তিনি। অতিরিক্ত প্রস্তুতিকালের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আশা প্রকাশ করেন, ইইউসহ অন্যান্য দেশ বাংলাদেশের অনুরোধে সমর্থন দেবে। একই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনাও তুলে ধরেন তিনি।

৫ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ, স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ ও ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে এলডিসি থেকে উত্তরণ চায়, যাতে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মুখে না পড়ে। উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের অব্যাহত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এর পরদিন ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি লিখে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে তার ব্যক্তিগত সমর্থন কামনা করেন।

২৬ এপ্রিল সচিবালয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে বৈঠকেও বাংলাদেশের প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন চান বাণিজ্যমন্ত্রী। টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।

এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ানোর উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে ২৯ এপ্রিল। ওই দিন জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ভার্চুয়াল পরামর্শ সভা করে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, ইআরডি সচিব, বাণিজ্য সচিব, অর্থসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

সভায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগের কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরা হয়।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাজারসুবিধা হারানোর আশঙ্কা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অভাব, উৎপাদন সক্ষমতা, রফতানির শর্ত পূরণ এবং সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি অসমাপ্ত কাঠামোগত সংস্কার, উত্তরণের জন্য বাকি থাকা প্রস্তুতি এবং ইরান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়।

এসব বিষয় পর্যালোচনার পর ১ জুন ইআরডি সচিবকে চিঠি দিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানায় সিডিপি। পরদিন ২ জুন এক বিবৃতিতে বিষয়টি প্রকাশ করে ইআরডি।

এরপর জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এবং সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করে সরকার।

২ জুলাই আগারগাঁওয়ের এনইসি সম্মেলনকক্ষে ইআরডি বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি সেমিনারের আয়োজন করে। এতে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও গবেষকেরা এতে অংশ নেন।

সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত সময় বাংলাদেশকে টেকসই, স্থিতিশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক রূপান্তর অর্জনে সহায়তা করবে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্নকে দেশের প্রস্তুতির পথে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

জুলাই মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ইকোসকের সভাপতি ও জাতিসংঘে নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহসভাপতি ও জাতিসংঘে আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি আমর বেনজামার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তরণের চ্যালেঞ্জ, জ্বালানি সংকট, সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন তিনি। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন, আর্থিক খাত ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

এ পর্যায়ে ২১ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি আসে। ওই দিন ইকোসক সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুপারিশ গ্রহণ করে। এতে বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের তৎকালীন স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ইকোসকের এ সুপারিশের ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে বিবেচনার পথ তৈরি হয়।

এরপর ২৯ জুলাই ঢাকায় আইসিএমএবি ভবনে ‘বাংলাদেশের আসন্ন এলডিসি উত্তরণ: টেকসই উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা’ শীর্ষক সেমিনারে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকালের গুরুত্ব তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্ধিত সময় কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংক খাতের সংস্কার, ব্যবসা সহজ করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সময় বাড়ানোর উদ্দেশ্য শুধু এলডিসি উত্তরণের তারিখ পিছিয়ে দেয়া নয়; বরং অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করা।

জাতিসংঘের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে শেষ পর্যায়ের তৎপরতা চালায় সরকার। ১৯ অক্টোবর ঢাকায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যেই জাতিসংঘ বাংলাদেশের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, সিডিপির প্রক্রিয়া শেষ করে বাংলাদেশ ইকোসকের পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পক্ষগুলো অতিরিক্ত সময় দেয়ার প্রস্তাবে সমর্থন জানাতে সম্মত হয়েছে। বর্ধিত সময় কীভাবে কাজে লাগানো হবে, সে বিষয়ে সরকার ইইউর কাছে একটি সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনাও জমা দিয়েছে।

উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এলডিসি থেকে উত্তরণের আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। একই দিন সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবেও বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

অবশেষে ২৯ অক্টোবর (নিউইয়র্ক সময়) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর ফলে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ পেলো।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

সাজেকে ফের গোলাগুলি, আতঙ্কে পর্যটক-স্থানীয়রা
তাহসিফের মৃত্যু: বাবার মামলা, গ্রেফতার বন্ধু দীপ
কানেক্টিভিটির নামে দেশকে ইজারা দেয়া চলবে না: লংমার্চ পূর্ব সমাবেশে জামায়াত আমির
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
‘দুধের মতো ফর্সা শরীর’ মন্তব্যে মুখ খুললেন তামান্না
এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় পেলো বাংলাদেশ
অনুমতি ছাড়াই আসুন, জুতাসহ ঢুকুন-ইউএনওর উদ্যোগে প্রশংসা
যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসায় নতুন নিয়ম
স্বামীকে ছাড়ানোর আশ্বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবদল নেতা বহিষ্কার
ইনানীতে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনা, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণে বাপেক্স
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আসছে চার নতুন সুবিধা
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী
মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ, যন্ত্রণায় কাটছে ক্রিস্টার দিন
সৌদিগামী ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ২২ হাজার যাত্রী
পাবনায় বজ্রপাতে প্রাণ গেলো ৬ জনের
পতিত ও নব্য দুই স্বৈরাচারকেই পরাজিত করবো: নাহিদ ইসলাম
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের অবদান নিয়ে সিম্পোজিয়াম
কফির বিল আপনার, সঙ্গ দেবেন জয়া!
মধ্যবর্তী নির্বাচনে চাপে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস