মেধা তালিকায় প্রথম হওয়া বিসিএস গেজেটে নেই জুলাইযোদ্ধা সোহেল-মামুন
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় নিজ নিজ বিষয়ে মেধা তালিকায় প্রথম হয়েও চূড়ান্ত নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে নাম না থাকার দাবি করেছেন আবদুল্লাহ আল মামুন ও সোহেল রানা। মামুন সমাজকল্যাণ বিষয়ে এবং সোহেল রানা ইতিহাস বিষয়ে মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছিলেন বলে তারা জানিয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে এ নিয়োগ দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৪৯তম বিসিএসে মোট ৬৬৮ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করেছিলো পিএসসি। তবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে ৬১১ জনের নাম রয়েছে। ফলে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে নেই। তাদের বাদ পড়ার কারণ প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়নি।
এর মধ্যে আবদুল্লাহ আল মামুন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া এক পোস্টে দাবি করেন, সমাজকল্যাণ বিষয়ে মেধা তালিকায় প্রথম হয়েও তার নাম গেজেটে আসেনি। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আন্দোলনে অংশ নেয়াই তার নিয়োগ না পাওয়ার কারণ হতে পারে।
অন্যদিকে সোহেল রানাও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া পোস্টে দাবি করেছেন, ৪৯তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে ইতিহাস বিষয়ে প্রথম হয়েও তাকে গেজেট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
তবে তাদের বাদ পড়ার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বা পিএসসির পক্ষ থেকে কোনও কারণ জানানো হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাদের অভিযোগ ও দাবিই বর্তমানে প্রকাশ্যে রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং নিয়োগপত্র বাতিল হবে।
৪৯তম বিসিএসের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি, ইতিহাস, সমাজকল্যাণ, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন।
সবার দেশ/কেএম




























