Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৫৩, ১৪ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ০৪:৫৮, ১৪ মার্চ ২০২৬

ট্যাঙ্কার বিমানে ছিল না প্যারাসুট বা ইজেকশন সিট

ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের ‘চাঞ্চল্যকর’ তথ্য

ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানের ‘চাঞ্চল্যকর’ তথ্য
উড়ন্ত একটি ফুয়েল স্টেশন, যেটি ইরাকের আকাশে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিপদের মুহূর্তে যেভাবে যুদ্ধবিমানগুলোর ‘ত্রাতা’ হয়ে কাজ করে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান

পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানে ক্রুদের জীবন বাঁচানোর জন্য কোনও প্যারাসুট বা ইজেকশন সিট ছিলো না। এ কারণে দুর্ঘটনার সময় বিমানে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যের কেউই বেরিয়ে আসতে পারেননি এবং সবাই নিহত হয়েছেন। মার্কিন বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে CNN।

বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল বোয়িং কেসি-১৩৫ (KC-135) স্ট্রাটোট্যাঙ্কার মডেলের একটি বিশালাকৃতির ট্যাঙ্কার বিমান। এ ধরনের বিমান মাঝ আকাশে যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

মার্কিন বিমান বাহিনীর ওই কর্মকর্তা জানান, কার্গো বা মালবাহী বিমানের মতোই এ ট্যাঙ্কার বিমানগুলোতে সাধারণত মাঝ আকাশে জরুরি অবস্থায় বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা থাকে না। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে ক্রুদের বাঁচার সুযোগ খুবই সীমিত হয়ে পড়ে।

কেনো থাকে না প্যারাসুট বা ইজেকশন সিট

পেন্টাগনের সামরিক কৌশল অনুযায়ী, এ ধরনের ট্যাঙ্কার বিমানগুলোকে সাধারণত সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে রাখা হয়। এগুলো নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করে থাকে। এ কারণেই যুদ্ধবিমানের মতো ইজেকশন সিট বা প্যারাসুট এখানে ব্যবহার করা হয় না।

কর্মকর্তারা জানান, মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনা ঘটলে ক্রুদের প্রধান দায়িত্ব থাকে বিমানটিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে যতটা সম্ভব নিরাপদে অবতরণ করার চেষ্টা করা। তবে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় সে সুযোগও পাওয়া যায়নি।

রহস্য ঘেরা দুর্ঘটনা

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাঝ আকাশে অন্য একটি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই ট্যাঙ্কার বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে একটি বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাতে থাকা ছয়জন ক্রুর সবাই নিহত হন।

আরেকটি ট্যাঙ্কার বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। তবে সেটি নিরাপদে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয় Ben Gurion Airport-এ, যা অবস্থিত তেল আবিব-এ।

ঘটনার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে যে দুর্ঘটনায় ছয়জন ক্রু সদস্যের সবাই মারা গেছেন। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় শত্রুপক্ষ বা অন্য কোনও বাহিনীর গুলিবর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।

এদিকে ইরানের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘দ্য ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ বিমানটি ভূপাতিত করার দাবি করেছে। তবে তাদের এ দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীও এ দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।

প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে বিধ্বস্ত কেসি-১৩৫ (KC-135) স্ট্রাটোট্যাঙ্কার বিমানের লেজের অংশ (টেইল ফিন) বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, যা মাঝ আকাশে সংঘর্ষের তত্ত্বকে আরও জোরালো করছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এ ঘটনাকে মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন এবং নিহত ক্রু সদস্যদের ‘আমেরিকান হিরো’ বলে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সূত্র: CNN

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশকে কাঁটাতার উপহার শুভেন্দুর
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় মন্ত্রিত্ব ছাড়তেও প্রস্তুত: ধর্মমন্ত্রী
নেপালে বিমানের চাকায় আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা ২৮৮ আরোহী
ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ ছাড়লেন অধ্যাপক মোনামি
আমতলীতে বজ্রপাতের ভয়াল থাবা, বাড়ছে প্রাণহানি
লেবার পার্টিতে বিদ্রোহ, টালমাটাল স্টারমারের ভবিষ্যৎ
এল ক্লাসিকো জিতে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
এনসিপিতে যোগদানকারীদের খতিয়ে দেখতে ‘ন্যাশনাল সার্চ কমিটি’ গঠন
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ অসাংবিধানিক
‘ট্রাম্পকে খুশি করতে ইরান প্রস্তাব লেখে না’
নোয়াখালীতে জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ
পাহাড়ে তিন মাসে ৬ খুন: দীঘিনালা-সাজেক সড়কে অবরোধের ডাক
২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর ২৪ হামলা
হরমুজে ইরানের ‘ডলফিন’ সাবমেরিন মোতায়েন
হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মমতাকে হারানো হয়েছে: কর্নেল অলি
পুলিশের জন্য ওভারটাইম ভাতা ও বিশেষ পদোন্নতির পরিকল্পনা
হাসিনার দোসরদের ‘দখলচেষ্টা’, সময় টিভি দিয়ে শুরু
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল