Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১৩, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫

৯ মাস বন্ধ থাকছে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ

৯ মাস বন্ধ থাকছে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফের প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াতে ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি)। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) পর্যন্ত দ্বীপটিতে ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা।

সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, সাধারণত প্রতিবছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু এ বছর ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যটক ভ্রমণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, এখানে সঙ্গে ১০ হাজারের অধিক মানুষের জীবিকা পর্যটনের ওপর নির্ভর করে। জাহাজ চলাচল ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো গেলে বাসিন্দাদের উপকার হতো।

সেন্টমার্টিনে ১২টি জাহাজ পর্যটক নিয়ে যাতায়াত করে আসছে। টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, ইনানী-সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন ও চট্টগ্রাম-সেন্টমার্টিন—এ চারটি নৌপথ দিয়ে এতোদিন জাহাজ চলাচল করে আসছিলো। এর মধ্যে বর্তমানে কেবল কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল করছে। 

টেকনাফ থেকে নাফ নদী হয়ে সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতেন অধিকাংশ পর্যটক। তবে মিয়ানমারের রাখাইনের সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করা হয়।

কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে বর্তমানে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। এ ঘাট থেকে ছয় ঘণ্টার যাত্রা শেষে পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে পৌঁছান। 

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে পর্যটক ভ্রমণের সময় কমানোর পাশাপাশি নানা বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। নভেম্বরে পর্যটকদের সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করা হয়। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দুই হাজার পর্যটক যাওয়া এবং রাত্রিযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারি থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। অথচ আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যেতে পারতেন। ভ্রমণের সময় কমানোর কারণে ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে দাবি পর্যটন ব্যবসায়ীদের।

সবার দেশ/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

খামেনি হত্যার প্রতিশোধের লাল পতাকা উড়ালো ইরান
ইসরায়েলি হামলায় কেঁপে উঠলো ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন
চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে ভরসা প্রাণিসম্পদ খাত, সেবার সংকটে শঙ্কা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনেই সংসদের যাত্রা শুরু হোক: আসিফ
ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা জামায়াত আমিরের
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের
যুক্তরাষ্ট্রে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৩, আহত ১৪
ভারত থেকে দেশে ফিরলো আওয়ামী এমপির লাশ
যশোরে জেলা জজ পদশূন্য, ভারপ্রাপ্ত জজের ওপর অনাস্থা
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
কোকো ভাইয়ের অবদান তুলে ধরতে পারিনি—অনুশোচনায় তামিম
হরমুজ প্রণালি বন্ধে বিশ্ব তেলবাজার টালমাটাল-দাম লাফিয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল প্রশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ
বীরগঞ্জে ২ মাদক সেবীর কারাদণ্ড
খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদ নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত: রিপোর্ট
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র চুরমার করলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা, নিহত ৮