প্রবীণ বিএনপি নেত্রী খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী, আবেগঘন সাক্ষাৎ
মৌলভীবাজার সফরকালে বিএনপির প্রবীণ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা রাব্বানীর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযাত্রার নানা স্মৃতিচারণে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা রোডে অবস্থিত খালেদা রাব্বানীর বাসভবনে যান।
সাক্ষাৎকালে প্রবীণ এ নেত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্মৃতিসহ নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি পুরোনো কিছু আলোকচিত্রও প্রধানমন্ত্রীকে দেখান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা রাব্বানীর খোঁজখবর নেন এবং তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি প্রবীণ এ নেত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সার্বিক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎটি ছিলো অত্যন্ত আন্তরিক ও আবেগঘন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের জন্য খালেদা রাব্বানীর অবদান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
খালেদা রাব্বানী বিএনপির রাজনীতিতে একজন ত্যাগী ও প্রবীণ নেত্রী হিসেবে পরিচিত। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের একাধিক মেয়াদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। দ্বিতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৫ এবং অষ্টম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-১০ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ সৌজন্য সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজান, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ও প্রবীণ নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকে দলের প্রবীণ নেতৃত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























