Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:০৪, ৫ এপ্রিল ২০২৫

আপডেট: ০০:২৮, ৬ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন প্রধান উপদেষ্টা

শুল্ক বাড়লেও শঙ্কিত নন বাণিজ্য উপদেষ্টা

বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ শুল্কনীতি শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অধিকাংশ দেশকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশ যদি দ্রুত কূটনৈতিক যোগাযোগ, রফতানি বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজন কৌশল গ্রহণ করে, এটি উত্তরণের সুযোগও হতে পারে।

শুল্ক বাড়লেও শঙ্কিত নন বাণিজ্য উপদেষ্টা
ছবি: সবার দেশ

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি কূটনৈতিক সংলাপে বসবেন দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ এপ্রিল ওয়াশিংটন স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করার ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর গড়ে ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। ফলে ‘ডিসকাউন্টেড রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নামে অভিহিত একটি নীতির আওতায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ শুল্ক বৃদ্ধিকে ‘আতঙ্কজনক’ মনে করছে না সরকার। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতেও একইভাবে শুল্ক আরোপিত হয়েছে। ফলে আমরা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়ছি না। বরং সঠিক পরিকল্পনা নিলে এখান থেকে সুযোগ বের করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আমরা শুল্ক কাঠামোর প্রভাব, রফতানি পণ্যের গঠন ও প্রতিযোগী দেশের বাজার বিশ্লেষণ করে করণীয় ঠিক করছি। আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং ট্যারিফ কাঠামোয় ভারসাম্য আনার কৌশলও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, প্রধান উপদেষ্টা নিজেই শিগগিরই ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন। তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবে।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান বলেন, এ শুল্ক বৃদ্ধি আকস্মিক নয়, দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাণিজ্য ঘাটতির ইস্যু নিয়ে কঠোর হচ্ছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অধিকাংশ দেশকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তবে বাংলাদেশ যদি দ্রুত কূটনৈতিক যোগাযোগ, রফতানি বৈচিত্র্য ও মূল্য সংযোজন কৌশল গ্রহণ করে, তাহলে এটি উত্তরণের সুযোগও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামো বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিক ঝুঁকি সৃষ্টি করলেও সরকার এটিকে সম্ভাবনার জায়গা হিসেবেই দেখছে। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরাসরি আলোচনার উদ্যোগ এবং বাণিজ্য কাঠামোতে সংস্কার—এ দুই দিকেই নজর দিচ্ছে অন্তর্বর্তী প্রশাসন।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
‘চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়, জবাবদিহি করতে হবে এমপিদের’
রিয়াদগামী ১০ ফ্লাইট বাতিল, বিপাকে হাজারো প্রবাসী
আত্মগোপনেই মারা গেলেন নিষিদ্ধ জঙ্গি আ.লীগ নেতা
নাটোরে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার
সাদাকাত-ফারহানের ঝড়ে সিরিজ জয় পাকিস্তানের
আবারও কেঁপে উঠলো রিয়াদ বিমানবন্দর, টার্মিনালে আগুন
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো, আক্রান্ত লাখের পথে
দুর্ঘটনার পর কেমন আছেন নুসরাত? সূর্যাস্তের ছবিতে আবেগঘন বার্তা
প্রজ্ঞার জরিপ: চার স্তরে ১২ দামে সিগারেট, ব্র্যান্ড বদলের সুযোগ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড, সোবহানার সেঞ্চুরি
রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার ৪
রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ, বাংলাদেশের ৫ ফ্লাইট বাতিল
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, ঢাকার তীব্র নিন্দা
মোহাম্মদপুরে অটোরিকশা চালকদের অবরোধ, তীব্র যানজট
পোশাক রফতানিতে তিন মাসে আয় ১,০৫৮ কোটি ডলার