Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:২৪, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

ভান্ডারি রাজনীতির করুণ পরিণতি

বিএনপির সমাবেশে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান

বিএনপির সমাবেশে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপির গণসমাবেশে বিএনপি নেতা আবুল বাসার ফুল মিয়ার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। 

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম আদর্শ মহিলা কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপি, পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়জনে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

হাতিয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল বাসার ফুল মিয়া। তার নির্ধারিত বক্তব্য শেষ করার পূর্বে তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার চলছে। তোলপাড় শুরু হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে। আলোচনা চলছে  সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জানা যায়, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম। গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

এ বিষয়ে হাতিয়ার পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেয়ার সময় তাদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়। আমাদের একজন সিনিয়র নেতা আবুল বাশার ভাই। বক্তব্য দেয়ার সময় সংক্ষিপ্ত করতে বলায় তিনি জয় হোক বাংলাদেশ, চিরজীবী হোক এ কথা বলতে গিয়ে ভুলবশত হয়তো জয় বাংলা বলে ফেলেছেন। তবে তিনি তো ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলেননি। মানুষ মাত্রই ভুল হয়। ইচ্ছাকৃত তিনি এটি করেননি বলেও জানান নিজাম নিজাম উদ্দিন।

হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহাদাত হোসেনসহ একাধিক বিএনপি নেতা বলেছেন, গত ১৭ বছর জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগ বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালিয়েছিলো। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার কিছু দোসর কিছু লোকের ছত্রছায়ায় তাদের দল পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছিলেন আবুল বাসার ফুল মিয়া। বিএনপির সমাবেশে তার দেওয়া এমন বক্তব্য মেনে নেয়া যায় না।

এ বিষয়ে আবুল বাসার ফুল মিয়া বলেন, আমি জয় বাংলা বলবো কেন? আমি তারেক জিয়া জিন্দাবাদ বলেছিলাম। ‘জয় বাংলা’ বলে আমি কোনো স্লোগান দেইনি। জয় বাংলা স্লোগান আমাদের দুশমন। বক্তব্যের শেষের দিকে অন্য কেউ আমার পাশ থেকে জয় বাংলা বলেছিলো।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান বলেন, বিএনপির কোনো নেতাকর্মী নিষিদ্ধ স্লোগান দিতে পারবে না। কেউ সংগঠন বহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ালে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সবার দেশ/এনএন

শীর্ষ সংবাদ:

টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে: ফায়ার সার্ভিস
টঙ্গীর আগুন নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিটের সঙ্গে সেনাবাহিনী-বিজিবি
১৬ ইউনিটেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি ওষুধ কারখানার আগুন
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট
ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালকের আসনে তারেক রহমান: হাসনাত
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ৪ আওয়ামী জঙ্গি শনাক্ত
এনসিপির শীর্ষ চার পদ বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত, বদলাচ্ছে নেতৃত্ব
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা
মুচলেকা দিয়ে পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন চুয়েট ভিসি
ড. ইউনূসের হেনস্তার দায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর: নাহিদ
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের নিন্দা
ড. ইউনূস ভালো আছেন, কোনও ক্ষতি হয়নি: লামিয়া মোরশেদ
মোদিবিরোধী আন্দোলনে বাজলো হাসিনাবিরোধী প্রতিবাদী গান
পাখি আমদানির আড়ালে শত কোটি টাকা পাচার
ওয়ান ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিয়োগ
বিএনপি’র সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই
ইরানে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ
টেস্টে লিটন দাসের বিশ্বরেকর্ড