Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২৭, ৩০ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১২:২৭, ৩০ আগস্ট ২০২৬

হাসনাতের বেলায় হুজুররা চেতেছে, বিএনপির বেলায় চুপ: মাদানী

হাসনাতের বেলায় হুজুররা চেতেছে, বিএনপির বেলায় চুপ: মাদানী
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে আলেমদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য করেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী। হাসনাতের বক্তব্যে আলেমদের ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে তার সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমদের পূর্বের সম্পর্ক এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার বিষয়টি তুলে ধরেছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন মাদানী।

‘বিএনপির নেতারা বললে এত চেতে না’

পোস্টে মাদানী লেখেন, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন—হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের ক্ষেত্রে আলেমরা এতটা প্রতিক্রিয়া দেখালেও ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা কিংবা অন্য কেউ একই ধরনের কথা বললে কেনো এতটা প্রতিক্রিয়া দেখান না।

এর মাধ্যমে ‘ফান্ডিং আন্দোলন’-এর মতো ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন করেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের আহ্বানে কতজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শাহবাগে গিয়েছিলেন? আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনেও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কার আহ্বানে রাজপথে নেমেছিলেন—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

হাসনাতের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানালেন মাদানী

হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে মাদানী জানান, একসময় হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসার অনুরোধ করেছিলেন।

মাদানীর ভাষ্য অনুযায়ী, হাসনাত তার ফোন নম্বর কীভাবে পেয়েছিলেন, তা তিনি জানতেন না। এরপর তিনি সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় যান এবং শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও দেখতে পান।

পরবর্তী সময়ে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত একটি মাহফিলেও যোগ দিয়েছিলেন বলে জানান মাদানী।

রুমিন-ফজলুরকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য

অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা যতই আহ্বান জানান না কেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তাদের ডাকে কোথাও যাবে না।

তবে তাদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে কখনও প্রতিবাদ করা হয়, আবার কখনও করা হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘নিজেদের মানুষ মনে করেন’

হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা কিংবা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ মনে করে সম্মান ও ভালোবাসা দেখান—এমন দাবি করেছেন মাদানী।

তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে আন্দোলনের সময় একসঙ্গে ছিলেন, যাদের সঙ্গে সম্পর্ক ও ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, তাদের কাছ থেকে সংসদের মতো জায়গায় না জেনে বা না শুনে কোনও বক্তব্য এলে স্বাভাবিকভাবেই কষ্ট পাওয়ার বিষয় রয়েছে।

মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না, কারণ তাদের অনেকেই আলেমদের কাছে ‘চিহ্নিত’।

কিন্তু আন্দোলনে যাদের সঙ্গে একসঙ্গে ছিলেন এবং যাদের নিজেদের মানুষ মনে করেন, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে ভিন্নভাবে দেখেন তিনি।

পোস্টের শেষ দিকে মাদানী লেখেন, 

ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!

সবার দেশ/এমকেজে

শীর্ষ সংবাদ:

টঙ্গীর আগুন নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিটের সঙ্গে সেনাবাহিনী-বিজিবি
১৬ ইউনিটেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি ওষুধ কারখানার আগুন
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট
ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালকের আসনে তারেক রহমান: হাসনাত
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ৪ আওয়ামী জঙ্গি শনাক্ত
এনসিপির শীর্ষ চার পদ বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত, বদলাচ্ছে নেতৃত্ব
ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা
মুচলেকা দিয়ে পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন চুয়েট ভিসি
ড. ইউনূসের হেনস্তার দায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর: নাহিদ
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের নিন্দা
ড. ইউনূস ভালো আছেন, কোনও ক্ষতি হয়নি: লামিয়া মোরশেদ
মোদিবিরোধী আন্দোলনে বাজলো হাসিনাবিরোধী প্রতিবাদী গান
পাখি আমদানির আড়ালে শত কোটি টাকা পাচার
ওয়ান ব্যাংকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিয়োগ
বিএনপি’র সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই
ইরানে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ
টেস্টে লিটন দাসের বিশ্বরেকর্ড