Sobar Desh | সবার দেশ ড. লিপন মুস্তাফিজ


প্রকাশিত: ০০:২২, ১৬ জুলাই ২০২৬

ফিনটেকের নতুন দিগন্ত

ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ

ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ
ছবি: সবার দেশ

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আর্থিক ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দিয়েছে। একসময় ব্যাংকিং সেবা বলতে বোঝানো হতো ব্যাংকের শাখায় গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দেয়া, উত্তোলন করা কিংবা বিল পরিশোধ করা। এখন সে চিত্র অনেকটাই অতীত। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এবং আধুনিক সফটওয়্যারভিত্তিক আর্থিক প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই কয়েক সেকেন্ডে অধিকাংশ ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। 

এ প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থাকেই বলা হয় ফিনটেক বা ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি। আধুনিক বিশ্বে ফিনটেক শুধু প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের নাম নয়; এটি অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশও এ পরিবর্তনের স্রোতে দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

ফিনটেকের ইতিহাস নতুন নয়। উনিশ শতকে আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ যোগাযোগ এবং ট্রান্সআটলান্টিক কেবল স্থাপনের মাধ্যমে বৈশ্বিক আর্থিক লেনদেনের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিলো, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটিএম, ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিকাশের ধারাবাহিকতায় আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডিজিটাল ওয়ালেট প্রযুক্তি ফিনটেককে আরও শক্তিশালী করেছে। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এ প্রযুক্তি এখন আর বিলাসিতা নয়; বরং দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অপরিহার্য অংশ। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে স্মার্টফোন ব্যবহার এবং ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তার ডিজিটাল আর্থিক সেবাকে মানুষের হাতের নাগালে এনে দিয়েছে। বর্তমানে প্রায় সব ব্যাংকই ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপভিত্তিক ব্যাংকিং, অনলাইন ফান্ড ট্রান্সফার এবং ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালু করেছে। পাশাপাশি বিকাশ, নগদ, রকেট এবং উপায়ের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সাধারণ মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, অনলাইন কেনাকাটা কিংবা দূরবর্তী এলাকায় অর্থ পাঠানো সবই এখন কয়েক সেকেন্ডে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।

সরকারের নানা কর্মসূচি এবং নগদবিহীন অর্থনীতির উদ্যোগ এ খাতকে আরও গতিশীল করেছে। বর্তমানে সরকারি ভাতা, কৃষি প্রণোদনা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ ডিজিটাল মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। এতে যেমন আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগও কমেছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সময় ও খরচ সাশ্রয়। আগে একটি সাধারণ ব্যাংকিং কাজের জন্য গ্রাহককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই হিসাব দেখা, টাকা স্থানান্তর, ঋণের কিস্তি পরিশোধ কিংবা চেকবইয়ের আবেদন করা যাচ্ছে। এতে গ্রাহকের সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি ব্যাংকের পরিচালন ব্যয়ও কমছে। নতুন শাখা স্থাপন ছাড়াই প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা দেশে সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসছে। আগে গ্রামের অনেক মানুষ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক সেবার বাইরে ছিলো। এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তারা প্রবাসী আয় গ্রহণ, সঞ্চয় এবং অন্যান্য লেনদেন সহজেই করতে পারছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের কারণে মানুষ নগদ অর্থের পরিবর্তে ডিজিটাল লেনদেনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বাংলাদেশেও সে সময়ে অনলাইন ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ব্যবহার কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। ব্যাংকগুলোও তাদের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। করোনা-পরবর্তী সময়েও এ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থার দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করছে। 

বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে প্রতিযোগিতা অনেক বেড়েছে। গ্রাহক ধরে রাখা এবং নতুন গ্রাহক আকর্ষণের জন্য ব্যাংকগুলো প্রযুক্তিনির্ভর সেবা উন্নত করছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হলেও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো এখনও অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। অনেক সরকারি ব্যাংকে আধুনিক মোবাইল অ্যাপ, দ্রুত অনলাইন সেবা এবং উন্নত গ্রাহকসেবা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সরকারি ব্যাংকগুলোকেও প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। 

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের বিস্তার শুধু ব্যাংকিং খাতেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ই-কমার্স, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নতুন গতি এনেছে। অনলাইন কেনাকাটা এবং ডিজিটাল পেমেন্ট এখন একে অপরের পরিপূরক। ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা, অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সহজে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন। তরুণ প্রজন্ম কিউআর কোড পেমেন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট এবং কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশও একটি ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে। অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, হ্যাকিং, তথ্য চুরি এবং ডিজিটাল প্রতারণা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় গ্রাহকের অসচেতনতার সুযোগ নিয়ে প্রতারকচক্র ওটিপি, পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার ভুয়া ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা হচ্ছে। তাই ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাকে নিরাপদ রাখতে প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। 

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন, এনক্রিপশন প্রযুক্তি, বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে। গ্রাহকদেরও নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহার, অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা এবং ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল ব্যাংক বা ভার্চুয়াল ব্যাংকের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশেও ডিজিটাল ব্যাংক চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ব্যাংক গড়ে উঠবে, যাদের কোনও প্রচলিত শাখা থাকবে না; সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। এটি ব্যাংকিং খাতে নতুন প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে এবং গ্রাহকসেবা আরও সহজ ও দ্রুত করবে।

ভবিষ্যতের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন এবং ওপেন ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে গ্রাহকের প্রয়োজন বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সেবা দেয়া সম্ভব হবে। ব্লকচেইন প্রযুক্তি আর্থিক লেনদেনকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে পারে। ওপেন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাংক ও প্রযুক্তি কোম্পানির সমন্বয়ে নতুন উদ্ভাবনী সেবা চালু হবে। তবে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। 

দেশের অনেক মানুষ এখনও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ নয়। গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেটের গতি ও নেটওয়ার্ক সমস্যাও রয়েছে। অনেকের জন্য স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও একটি বাধা। তাই প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন, কম খরচে ইন্টারনেট সুবিধা এবং ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার নিশ্চিত করা জরুরি। 

সবশেষে বলা যায়, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ফিনটেক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। এটি শুধু ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আধুনিক করছে না; বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ করে তুলছে। সঠিক নীতিমালা, উন্নত প্রযুক্তি, কার্যকর তদারকি এবং শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে পারবে। ভবিষ্যতের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ফিনটেক নিঃসন্দেহে একটি প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠবে। ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ফিনটেকের সফলতা আরও বাড়াতে হলে এ সেবাগুলোকে দেশের সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে হবে। 

বর্তমানে শহরাঞ্চলে ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও গ্রামীণ এবং নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এখনও পুরোপুরি এ সুবিধার আওতায় আসতে পারেনি। তাই ফিনটেককে গণমুখী করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি। অনেক মানুষ এখনও ডিজিটাল লেনদেনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকেন অথবা প্রযুক্তি ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী নন। টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের সুবিধা ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে জানাতে হবে।

গ্রামীণ এলাকায় এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের পরিধি আরও বাড়ানো জরুরি। ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে পারলে গ্রামের মানুষ সহজেই ব্যাংকিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হবে। পাশাপাশি স্বল্প খরচে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সীমিত থাকলে ডিজিটাল অর্থনীতির সুফল সবার কাছে পৌঁছাবে না। শিক্ষাক্ষেত্রেও ডিজিটাল আর্থিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ডিজিটাল লেনদেন, সাইবার নিরাপত্তা এবং ফিনটেক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়া গেলে নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে, যাতে তারা সহজে ডিজিটাল পেমেন্ট ও অনলাইন আর্থিক সেবা ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়া ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে আরও উদ্ভাবনী ও সহজ ব্যবহারযোগ্য সেবা চালু করতে হবে। বাংলা ভাষাভিত্তিক অ্যাপ, সহজ ইন্টারফেস এবং দ্রুত গ্রাহকসেবা সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত উদ্যোগ, শক্তিশালী নীতিমালা এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে ফিনটেক সেবাকে দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।

লেখক:
সহকারী মহাব্যবস্থাপক, বেসিক ব্যাংক পিএলসি 
            এবং 
সহযোগী অধ্যাপক (অর্থনীতি), খন্ডকালীন
সাউথ ইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

শীর্ষ সংবাদ:

সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
আজ জুলাই শহীদ দিবস: রাষ্ট্রীয় শোক পালন
জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ডিসেম্বরে ফিরলে বিমানবন্দরে গ্রেফতার, রায় কার্যকর হবে: নাহিদ
মার্কিন সিনেটে ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বিল আটকে দিলেন ডেমোক্র্যাটরা
ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ
কাশিয়ানীতে বিএনপি নেতাদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা
মেট্রোরেলের ৪ পিলারের বিয়ারিং প্যাড ঝুঁকিতে
ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট ফের চালু হচ্ছে ২৭ জুলাই
ফ্রান্সকে কাঁদিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে স্পেন
নরসিংদীতে ২ মাসের শিশুর পা ভেঙ্গে দিলো আপন চাচি!
ফ্রান্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘ফেত নাসিওনাল’
বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, ঢুকলেই গ্রেফতার: আইনমন্ত্রী