টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের একটি কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি আরও নয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন কীভাবে লেগেছে এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা-ও এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানান, বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে টঙ্গীর ওই কারখানায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পরপরই আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার জন্য ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশে পাঠানো হয়।
তিনি জানান, সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। সংশ্লিষ্ট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে কারখানাটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার।
আগুনের পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘটনাস্থলে আটটি ইউনিট কাজ করছে এবং আরও নয়টি ইউনিট পথে রয়েছে। অতিরিক্ত ইউনিটগুলো পৌঁছালে আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে তাদের যুক্ত করা হবে।
কারখানাটির কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে আগুনের উৎপত্তিস্থল, কী কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে এবং আগুন কতটা ছড়িয়ে পড়েছে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে কারখানার ভেতরে কোনও শ্রমিক বা কর্মচারী আটকা পড়েছেন কি না, কেউ আহত হয়েছেন কি না কিংবা ওষুধ ও কাঁচামালের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চলমান থাকার কথা জানানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
টঙ্গী ও আশপাশের গাজীপুর এলাকায় বহু শিল্পকারখানা রয়েছে। এ ধরনের কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আশপাশের স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বিবেচনায় নিতে হয়।
তবে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় আগুনের প্রকৃত কারণ কিংবা অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিলো কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডের সর্বশেষ পরিস্থিতি, হতাহতের তথ্য এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক হালনাগাদের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
সবার দেশ/এমকেজে




























