মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা
তেলের দাম ব্যারেল ছাড়ালো ১১৫ ডলার
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দিনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হয়েছে ১১৫ ডলার ৮৪ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই বাজারে এ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়। পাল্টা জবাবে ইরান ইসরাইলের অভ্যন্তরে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘাতের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়।
এ উত্তেজনার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিলো প্রায় ৭২ ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সরবরাহ ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কারণে দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় এ অঞ্চলের যেকোনও সংঘাত সরাসরি তেলের দামে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ইরান, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুটগুলো ঝুঁকির মুখে পড়লে বাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়।
যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও আমদানি নির্ভর দেশগুলোর জন্য নতুন চাপ তৈরি করবে।
সবার দেশ/কেএম




























