Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:২১, ২৩ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ০১:২৩, ২৩ মার্চ ২০২৬

সতর্কবার্তা মালিকদের

তেল সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় বন্ধের পথে পেট্রোল পাম্প

তেল সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় বন্ধের পথে পেট্রোল পাম্প
ফাইল ছবি

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনও সময় পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে— এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। কোম্পানি থেকে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এর ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাম্পকর্মীরাও দীর্ঘ সময় বিরামহীন কাজ করতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক চাপে পড়ছেন। এমন অবস্থায় যেকোনও সময় পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিক্রির সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। সরকার ও জেলা প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে পাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।

একাধিক ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে তারা জানায়, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুত ছিলো। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যা কয়েকদিন চলার কথা, কিন্তু অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে খুব অল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়।

অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল নিচ্ছেন এবং পরে তা বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার কেউ কেউ আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, ফলে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজ’ আখ্যা দিয়ে সংগঠনটি আরও জানায়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে জোরপূর্বক তেল নেয়ার ঘটনাও ঘটছে। ঠাকুরগাঁও-এর একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহের সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে তেল নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুধু পাম্পেই নয়, ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়। ট্যাংকার লুট হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

সংগঠনটির মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ঈদের আগের দিন অনেক পাম্পে জরুরি সেবার জন্য ২০০ লিটার অকটেন সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয়নি। এমনকি জোর করে পাম্প খুলে সে জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এ অবস্থায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি নিশ্চিত না করা হলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প থাকবে না বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের ভাষায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়— যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সবার দেশ/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশকে কাঁটাতার উপহার শুভেন্দুর
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় মন্ত্রিত্ব ছাড়তেও প্রস্তুত: ধর্মমন্ত্রী
নেপালে বিমানের চাকায় আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা ২৮৮ আরোহী
ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ ছাড়লেন অধ্যাপক মোনামি
আমতলীতে বজ্রপাতের ভয়াল থাবা, বাড়ছে প্রাণহানি
লেবার পার্টিতে বিদ্রোহ, টালমাটাল স্টারমারের ভবিষ্যৎ
এল ক্লাসিকো জিতে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
এনসিপিতে যোগদানকারীদের খতিয়ে দেখতে ‘ন্যাশনাল সার্চ কমিটি’ গঠন
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ অসাংবিধানিক
‘ট্রাম্পকে খুশি করতে ইরান প্রস্তাব লেখে না’
নোয়াখালীতে জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ
পাহাড়ে তিন মাসে ৬ খুন: দীঘিনালা-সাজেক সড়কে অবরোধের ডাক
২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর ২৪ হামলা
হরমুজে ইরানের ‘ডলফিন’ সাবমেরিন মোতায়েন
হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মমতাকে হারানো হয়েছে: কর্নেল অলি
পুলিশের জন্য ওভারটাইম ভাতা ও বিশেষ পদোন্নতির পরিকল্পনা
হাসিনার দোসরদের ‘দখলচেষ্টা’, সময় টিভি দিয়ে শুরু
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল