ফ্যামিলি কার্ডে তালাক বন্ধ হয়েছে: চিফ হুইপ
ফ্যামিলি কার্ড চালুর কারণে তালাক বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, এ কার্ডের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের ভালো কাজগুলো গণমাধ্যমে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
ফ্যামিলি কার্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। এ কার্ডের সুবিধা মায়েরা নিজেরাই ভোগ করবেন। এর মাধ্যমে নারীদের শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন,
উনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন মায়েদের। মায়েদের শক্তিশালী করেছেন। মায়েদের নামে হবে (ফ্যামিলি কার্ড)। মায়েরা এ সুফল ভোগ করবেন। মায়েদের দুইটা সন্তানসহ তালাক দিবা, সে সুযোগ আর নাই। এ তালাক বন্ধ করেছে এ ফ্যামিলি কার্ড।
তিনি আরও বলেন,
এখন জামাইয়ের (স্বামী) ভাত খাইতে হইলে ওই মহিলার কাছে আসতে হবে। সে কাজটা করেছেন তারেক রহমান সাহেব। ভালো না মন্দ কাজ? যদি ভালো হয় আপনারা বড় করে লেখেন। ভালো কাজগুলো বারবার মনে করায়ে দিয়েন।
আদানি চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তির সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, ওই চুক্তির পেছনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তা দিয়ে দেশে পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা সম্ভব হতো।
এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি চক্র জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলো।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বক্তব্য
দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গেও কথা বলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা হলো, বাংলাদেশে কোনও সংখ্যালঘু নেই। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এ নীতির ভিত্তিতেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নূরুল ইসলাম মনি দাবি করেন, গত দুই বছরে দেশে কোনো প্রতিমা বা মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটেনি।
বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ, জেলা প্রশাসক তাসলিমা আক্তার, পুলিশ সুপার কুদরত খুদা এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সবার দেশ/কেএম




























