বিচারককে এজলাস ত্যাগে বাধ্য করার ন্যাশনাল ল’ইয়ারর্স অ্যালায়েন্স এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
বরিশালে আদালত চলাকালে একজন বিচারককে এজলাস ত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স অ্যালায়েন্স। সংগঠনটি বলেছে, এ ঘটনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আদালত সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার শেষ আশ্রয়স্থল। বিচারিক কার্যক্রম চলার সময় কোনও বিচারককে হেনস্থা করা বা তাকে এজলাস ত্যাগে বাধ্য করা শুধু অপরাধই নয়, বরং রাষ্ট্রের বিচারিক ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার শামিল। এমন ঘটনা আদালতের মর্যাদা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং বিচারকদের নির্ভয়ে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নষ্ট করে।
ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স অ্যালায়েন্স ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা এবং দণ্ডবিধির ৩৫৩ ও ২১৮ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট আইনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যদি কোনও নিবন্ধিত আইনজীবী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে তার পেশাগত সনদ বাতিলের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ারও দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আদালত চত্বরে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির আহ্বায়ক এসএম আজমল হোসেন এবং সদস্য সচিব মুহা. এরশাদুল বারী খন্দকার বলেছেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। বিচারালয়ে পেশিশক্তির আস্ফালন বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করে। তাই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























