Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:২৫, ২ জুন ২০২৬

আপডেট: ০০:২৬, ২ জুন ২০২৬

সৌদিতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদিতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন লক্ষ্মীপুরের এবং একজন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা। রোববার (৩১ মে) রাত ও সোমবার পৃথক সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী এলাকার হারুন ও রাসেল এবং ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ফারুক ইসলাম।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন হারুন ও রাসেল। রোববার রাতে সৌদি রাজধানী রিয়াদের একটি সড়কে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি উটের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার খবর দেশে পৌঁছালে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

নিহত হারুনের বাবা তছলিম উদ্দীন ছৈয়াল বলেন, আমার ছেলে বিদেশে গিয়ে পরিবারের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করছিলো। সে লাশ হয়ে ফিরবে, এটা কখনও ভাবিনি। সরকারের কাছে আবেদন, দ্রুত যেন লাশ দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, হারুন ও রাসেল ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। তারা লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, প্রবাসী দুই যুবকের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

অন্যদিকে, সোমবার সকালে সৌদি আরবে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা ফারুক ইসলাম। তিনি আব্দুল মজিদ ব্যাপারীর ছেলে এবং তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছিলেন ফারুক ইসলাম। সর্বশেষ তিন বছর আগে তিনি ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। প্রবাসে কর্মরত থাকার পাশাপাশি এলাকার অনেক যুবকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। নিজের মেজ ছেলে মাহফুজুর রহমান ও দুই ভাতিজাসহ এলাকার বেশ কয়েকজনকে সৌদি আরবে কাজের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।

ফারুক ইসলামের প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ফারুক অত্যন্ত বিনয়ী ও পরোপকারী মানুষ ছিলেন। দেশে এলে এলাকার মানুষের খোঁজখবর নিতেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকাবাসী শোকাহত।

প্রবাসে কর্মরত তিন বাংলাদেশির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে তাদের নিজ নিজ এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা দ্রুত লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সবার দেশ/কেএমৃ

শীর্ষ সংবাদ:

ইশরাক শপথ ভঙ্গ করেছেন, দাবি জামায়াতের
ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ
ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের দাপুটে শুরু, নেপালকে হারালো ৩৩-২০ গোলে
মাদকবিরোধী অভিযানে নতুন ঘোষণা ইশরাকের, এবার বাঁশের লাঠি
ইশরাকের উচিত পার্থের পদত্যাগ দাবি করা: হাসনাত
আসুসের নতুন গেমিং ল্যাপটপ উন্মোচন
মৃত্যুর আগে ভিডিওতে শিক্ষকের নাম, শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা
সচিবালয়ে বড় রদবদল, সাত সচিবের দফতর বদল
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, তিনি বললেন ‘গুজব’
আকাশে খুলে গেলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা, ঢাকায় জরুরি অবতরণে রোগীর মৃত্যু
একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি
ঢাকায় ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ পেতে সিভিতে মিথ্যা তথ্য পুতুলের
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ভয়াবহ দাঙ্গা, গ্রেফতার ১৮০০
১১ ম্যাচে ৪৮ গোল, অপ্রতিরোধ্য বার্সেলোনা