Sobar Desh | সবার দেশ আবু ইউসুফ


প্রকাশিত: ০০:০০, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নাগরিক সেবার বেহাল, নগর পিতা ঘুমান!

নাগরিক সেবার বেহাল, নগর পিতা ঘুমান!
ছবি: সবার দেশ

রাজধানীর কলেজ গেট—একদিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, অন্যদিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যস্ত জনপদ। প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী, রোগীর স্বজন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে এ এলাকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় নাগরিক সেবার চিত্র দেখলে মনে হয়, নগর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা হয় এলাকাটির অস্তিত্ব ভুলে গেছেন, নয়তো নাগরিক দুর্ভোগকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অংশ বলে মেনে নিয়েছেন।

এখানে হাসপাতাল আছে, রোগী আছে, চিকিৎসক আছেন, শিক্ষার্থী আছে—শুধু নেই নিরাপদে হাঁটার নিশ্চয়তা। আছে ফুট ওভারব্রিজ, কিন্তু সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে পথচারীদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়। আছে চলন্ত সিঁড়ি, কিন্তু সেটি চালু না করেই যেনো জনগণের অর্থ অপচয়ের প্রদর্শনীতে পরিণত করা হয়েছে। আছে ফুটপাত, তবে সেখানে পথচারীর চেয়ে হকার ও দোকানদারের অধিকারই বেশি দৃশ্যমান। আর আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী—কিন্তু প্রকাশ্য মাদক সেবন ও দখলদারির মতো সমস্যার স্থায়ী সমাধান কোথায়, সে প্রশ্নের উত্তর মেলে না।

ফুট ওভারব্রিজ আছে, পারাপারে ভোগান্তির শেষ নেই

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু বাস্তবে এটি যেনো অর্ধেক সচল, অর্ধেক পরিত্যক্ত এক স্থাপনা।

ব্রিজের পূর্ব পাশের দুটি সিঁড়ির মধ্যে উত্তর পাশের সিঁড়িটি ময়লা-আবর্জনা, নোংরা পানি ও মানববর্জ্যের কারণে কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে পথচারীদের চাপ এসে পড়ছে দক্ষিণ পাশের অপেক্ষাকৃত সরু সিঁড়িতে। সেখানে ওঠানামা করতে গিয়ে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ সারি। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, শারীরিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও হাসপাতালগামী রোগীদের জন্য এ পরিস্থিতি বাড়তি দুর্ভোগের কারণ।

যে সিঁড়ি দিয়ে সুস্থ মানুষকেও গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলতে হয়, সেখানে অসুস্থ রোগীর নিরাপদে ওঠানামা কতটা কঠিন, তা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। হাসপাতালের সামনে নির্মিত অবকাঠামো যদি রোগীর দুর্ভোগই বাড়ায়, তবে সে অবকাঠামোর পরিকল্পনা, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

লাখ টাকার চলন্ত সিঁড়ি, কাজে লাগে না এক টাকাও

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, এ ফুট ওভারব্রিজের পাশে স্থাপন করা হয়েছে একটি চলন্ত সিঁড়ি। জনগণের অর্থ ব্যয় করে তৈরি করা এ সুবিধাটি চালুর আগেই বন্ধ হয়ে যায় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে এটি অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় সরকারি সম্পদটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

চলন্ত সিঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে, অথচ সেটি চালু নেই; নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই; আর যাঁদের সুবিধার কথা ভেবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে, তারাই প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। তাহলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য কী ছিলো? উদ্বোধন, প্রচার, নাকি সত্যিকারের নাগরিক সেবা?

সরকারি অর্থ ব্যয় করে কোনও স্থাপনা নির্মাণ করাই শেষ কথা নয়। সেটি সচল রাখা, নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং জনগণের কাজে লাগানোই প্রকৃত দায়িত্ব। অন্যথায় উন্নয়নের অবকাঠামো কেবল ছবি তোলার উপকরণ হয়ে থাকে, নাগরিকের উপকারে আসে না।

ফুট ওভারব্রিজে পথচারীর চেয়ে আতঙ্ক বেশি

ফুট ওভারব্রিজটির পরিবেশ নিয়েও রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে মাদকাসক্ত কিছু নারী-পুরুষের অবস্থান, প্রকাশ্যে মাদক সেবন, ছিনতাইয়ের আশঙ্কা এবং হকারদের উপস্থিতি পথচারীদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য ব্রিজটি ব্যবহার করা অনেক সময় বিব্রতকর ও ভীতিকর হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। যে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে নিরাপদে রাস্তা পারাপারের জন্য, সেটি যদি নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা তৈরি করে, তবে তার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়।

হাসপাতালের দেয়ালসংলগ্ন এলাকাতেও প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড যদি জনসমক্ষে ঘটে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—নিয়মিত নজরদারি কোথায়? অপরাধ প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকা কোথায়? তবে কোনও ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা কিংবা অপরাধে জড়িত বলে ধরে নেয়ার আগে যথাযথ যাচাই ও আইনসম্মত পদক্ষেপ নিশ্চিত করাও জরুরি।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অর্থ শুধু মাঝেমধ্যে পুলিশি উপস্থিতি দেখানো নয়; বরং এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে একজন নারী কিংবা একজন অসুস্থ রোগীর স্বজনকে রাস্তা পার হতে গিয়ে আতঙ্কে থাকতে না হয়।

ফুটপাত কার—নাগরিকের, নাকি দখলদারের?

কলেজ গেট এলাকায় ফুটপাত দখল করে হকার, দোকানদার ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফলে পথচারীদের অনেক সময় ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে হয়। তার ওপর সড়কের বিভিন্ন অংশে অটোরিকশার চলাচল ও অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

ফুটপাতের কাজ পথচারীকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া। কিন্তু ফুটপাত যদি দোকানের সম্প্রসারিত অংশ হয়ে যায়, আর মূল সড়ক যদি পথচারী ও যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে, তাহলে নগর ব্যবস্থাপনার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক নয়।

এখানে প্রতিদিন রোগী ও রোগীর স্বজনদের যাতায়াত করতে হয়। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে হাসপাতালে আসা মানুষের কাছে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ। এমন এলাকায় ফুটপাত দখল, যানজট এবং অনিরাপদ পারাপার কেবল বিরক্তির বিষয় নয়; এটি জরুরি সেবা গ্রহণের পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

দখলদারদের উচ্ছেদ করে কয়েক ঘণ্টার জন্য পথ পরিষ্কার রাখাই সমাধান নয়। নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনা ছাড়া ফুটপাত দখলের চক্র ভাঙা সম্ভব নয়।

ভিআইপি আসবেন—তাই একদিনে বদলে যায় কলেজ গেট!

এ এলাকার নাগরিক দুর্ভোগের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক সামনে আসে বিশেষ অতিথির সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে।

‘সবার দেশ’র প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত মাসে একদিন কলেজ গেট এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ফুটপাত থেকে দোকানপাট সরানো হয়েছে, হাসপাতালের প্রবেশমুখ রাখা হয়েছে দখলমুক্ত, সড়ক থেকেও অটোরিকশা সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কয়েকজন আনসার সদস্যকে এসব ব্যবস্থা তদারকিতে ব্যস্ত দেখা যায়।

কেনো হঠাৎ এই পরিবর্তন—প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে আনসার সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে আসবেন বলে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যদিও সেদিন প্রধানমন্ত্রী আসেননি; তবে ওইদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুগদা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছিলেন।

কিন্তু আসল চিত্র দেখা যায় পরদিন। আগের দিনের শৃঙ্খলা উধাও। আবার ফুটপাত দখল, হকারদের উপস্থিতি এবং সড়কে অটোরিকশার আধিপত্য ফিরে আসে।

এ ঘটনা একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আনে: নাগরিক সেবা কি কেবল ভিআইপি সফরের জন্য, নাকি সাধারণ মানুষেরও সে সেবা পাওয়ার অধিকার আছে?

প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরের খবরে যদি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাস্তা পরিষ্কার করা যায়, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা যায় এবং যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়, তাহলে সাধারণ দিনে তা করা যায় না কেনো? জনবল কি তখন থাকে না, আইন কি তখন কার্যকর থাকে না, নাকি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কর্তৃপক্ষের অগ্রাধিকারের তালিকায় স্থান পায় না?

এক দিনের পরিচ্ছন্নতা আর পরদিনের বিশৃঙ্খলার এ বৈপরীত্য নগর ব্যবস্থাপনার একটি পরিচিত দুর্বলতাকে সামনে আনে—দৃশ্যমান শৃঙ্খলা তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু তা ধরে রাখার সদিচ্ছা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাচ্ছে কি না, সেটিই মূল প্রশ্ন।

নগর পিতা কি শুধু পদে, নাকি দায়িত্বেও?

নগর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব শুধু সড়ক নির্মাণ, বাতি স্থাপন কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা প্রকাশ করা নয়। ফুটপাত সচল রাখা, পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বর্জ্য অপসারণ, জনসাধারণের ব্যবহারের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং দখলদারি নিয়ন্ত্রণও নগর পরিচালনার মৌলিক দায়িত্বের অংশ।

কলেজ গেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে উন্নয়নের দাবি সাধারণ মানুষের কাছে অর্থহীন হয়ে পড়বে। হাসপাতালমুখী মানুষকে যদি ময়লা-আবর্জনা এড়িয়ে চলতে হয়, ফুট ওভারব্রিজে উঠতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়, মাদক সেবনের অভিযোগ থাকা পরিবেশে পথ চলতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত মূল সড়কে নেমে যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাঁটতে হয়, তাহলে নাগরিক সেবার বাস্তব অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ছাড়া এ সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। কার দায়িত্বে ফুট ওভারব্রিজটির রক্ষণাবেক্ষণ, কেন চলন্ত সিঁড়ি চালু নেই, কারা ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণ করবে এবং প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অভিযোগে কোন সংস্থা ব্যবস্থা নেবে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট জবাবদিহি থাকা জরুরি।

এখনই যা করা দরকার

কলেজ গেটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রথমেই ফুট ওভারব্রিজের অচল সিঁড়ি পরিষ্কার ও ব্যবহারযোগ্য করা এবং চলন্ত সিঁড়ির বর্তমান অবস্থা পরীক্ষা করে দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ব্রিজ ও হাসপাতালসংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং নিরাপত্তা নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি পথচারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন চলাচলের জায়গা সংরক্ষণ করতে হবে। অটোরিকশার অবস্থান ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক সেবন, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এসব ব্যবস্থা যেনো কোনও মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সফরকে কেন্দ্র করে সাময়িকভাবে কার্যকর না হয়। সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের চলাচল, চিকিৎসা গ্রহণ ও নিরাপত্তার স্বার্থেই সেগুলো নিয়মিত বজায় রাখতে হবে।

কলেজ গেটের মানুষের দাবি অসাধারণ কিছু নয়। তারা আকাশছোঁয়া উন্নয়ন চান না; চান পরিচ্ছন্ন রাস্তা, দখলমুক্ত ফুটপাত, সচল ফুট ওভারব্রিজ, নিরাপদ পারাপার এবং কার্যকর নাগরিক সেবা।

নগর পিতার কাছে প্রশ্ন তাই সরল—যে ব্যবস্থা ভিআইপি সফরের জন্য এক দিনে কার্যকর করা যায়, তা সাধারণ মানুষের জন্য সারা বছর কার্যকর রাখা যায় না কেনো?

নাগরিকের করের অর্থে গড়া অবকাঠামো নাগরিকের কাজে লাগবে—এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। সে প্রত্যাশা পূরণ না হলে উন্নয়নের প্রচার যত জোরেই হোক, কলেজ গেটের বাস্তবতা তার বিপরীত কথাই বলবে।

নগর পিতা ঘুমিয়ে থাকলে নাগরিক দুর্ভোগ জেগে থাকে—আর সে দুর্ভোগের মূল্য প্রতিদিন দিতে হয় সাধারণ মানুষকেই।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

নেহা বোরাকে মুক্তি দিলো দিল্লি পুলিশ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, আহত ১৫
ভারতের জেন-জি আন্দোলনে নাহিদ ইসলামের সংহতি
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ঢাকা-রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত
মুক্তি পেলেন মমতা ও কেজরিওয়াল
আলম আরা মিনুর কণ্ঠে ‘কৃষ্ণ কালা’
বেনাপোলে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচার, ঢাকায় আটক
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় শিশুসহ নিহত ৯
নাগরিক সেবার বেহাল, নগর পিতা ঘুমান!
দিল্লিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী আটক
দিল্লিতে মমতা, কেজরিওয়াল ও পিনারাই আটক!
তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিলো সে রাতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সুমনের
ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা বললেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়কে বিক্ষোভ