Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৪, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বে ঋণে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম

বিশ্বে ঋণে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম
ছবি: সবার দেশ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকারি ঋণের বোঝা ক্রমেই বাড়ছে। ঋণের সুদ পরিশোধে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় সংকোচনের চাপে পড়ছে অনেক সরকার। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান ও আর্থিক নিরাপত্তায়। সরকারি ঋণের মোট পরিমাণের হিসাবে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১২৭ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের পরিমাণ ২০৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৪০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের পর বছর ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে। ঋণের সুদ পরিশোধে বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হওয়ায় জনসেবামূলক খাতে অর্থ বরাদ্দের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি, আবাসনসংকট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাজেট ঘাটতি নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে এসব বিষয় ঘিরে বিক্ষোভও চলছে।

সরকারি ঋণে শীর্ষ পাঁচ দেশ

সরকারি ঋণের মোট পরিমাণের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের পরই রয়েছে চীন। আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ ২২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১০৪ শতাংশ।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা জাপানের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে জিডিপির অনুপাতে ঋণের হিসাবে দেশটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। জাপানের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ১৯৯ শতাংশ, যা দেশটির অর্থনীতির তুলনায় ঋণের উচ্চ চাপ নির্দেশ করে।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১০২ শতাংশ। পঞ্চম স্থানে থাকা ফ্রান্সের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ১১৮ শতাংশ।

এ ছাড়া ইতালির সরকারি ঋণের পরিমাণ ৩ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১৩৮ শতাংশ। জার্মানির ঋণের পরিমাণ ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ৬৫ শতাংশ। সরকারি ঋণের মোট পরিমাণের হিসাবে ভারত রয়েছে সপ্তম স্থানে। দেশটির ঋণের পরিমাণ ৩ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৮৩ শতাংশ।

তবে ঋণের মোট পরিমাণ দিয়ে কোনও দেশের আর্থিক ঝুঁকি পুরোপুরি বোঝা যায় না। অর্থনীতির আকার, সরকারের রাজস্ব আয়, ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা এবং ঋণের সুদের হারও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মোট ঋণের পাশাপাশি ঋণ-জিডিপি অনুপাত ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

দেড় দশকে বাংলাদেশের ঋণ বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ

বৈশ্বিক সরকারি ঋণের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। আইএমএফের দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের পরিমাণ ২০৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালে এ পরিমাণ ছিলো ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দেড় দশকে দেশের সরকারি ঋণ বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।

বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৪০ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ অনুপাত ১২৭ শতাংশ, ফ্রান্সের ১১৮ শতাংশ এবং ইতালির ১৩৮ শতাংশ। এ হিসাবে বাংলাদেশের ঋণের অনুপাত এসব দেশের চেয়ে কম।

তবে ঋণ-জিডিপি অনুপাত কম থাকলেই ঋণ নিয়ে উদ্বেগের অবকাশ নেই, এমন নয়। ঋণ পরিশোধের জন্য সরকারের রাজস্ব আয় কতটা পর্যাপ্ত, বৈদেশিক মুদ্রার জোগান কেমন এবং নতুন ঋণের অর্থ কতটা উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়লে ভবিষ্যতে সুদ ও আসল পরিশোধের চাপও বাড়তে পারে।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ ফ্রান্সের সরকারি ঋণ জিডিপির ১২১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এতে দেশটির সরকারি অর্থব্যবস্থাকে টেকসই অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সরকার কীভাবে ঋণ নেয়

সরকার সাধারণত সরকারি বন্ড বিক্রি এবং বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়ে অর্থের চাহিদা পূরণ করে। বিনিয়োগকারীরা সরকারি বন্ড কিনে সরকারকে অর্থ দেন। বিনিময়ে তারা নির্ধারিত হারে সুদ পান এবং বন্ডের মেয়াদ শেষে মূল অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকারী হন।

উদাহরণ হিসেবে, ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ১০ বছর পর মূল অর্থ ফেরত দেয়ার কথা। এ ধরনের বন্ডের ইল্ড বা ফলন সরকারি ঋণ নেয়ার খরচ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

বন্ডের দাম কমলে সাধারণত এর ইল্ড বেড়ে যায়। ফলে সরকারকে নতুন ঋণ নিতে বেশি সুদ দিতে হতে পারে। এতে বাজেটের ওপর চাপ বাড়ে এবং ঋণের সুদ পরিশোধে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। এর ফলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো খাতে বরাদ্দের সুযোগ কমে যেতে পারে।

ফ্রান্সে ঋণের সুদ নিয়ে উদ্বেগ

ইউরোপের সরকারি ঋণসংক্রান্ত উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটির ঋণ নেয়ার খরচ বৃদ্ধি এবং সরকারি অর্থব্যবস্থার চাপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সকে ১০ বছর মেয়াদি সরকারি ঋণের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে জার্মানির ক্ষেত্রে এ হার ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। ইতালি ও গ্রিসের তুলনায়ও ফ্রান্সকে বেশি সুদ দিতে হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋণের সুদের হার বাড়লে সরকারকে নতুন ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। একই সঙ্গে পুরোনো ঋণ পুনরায় পরিশোধ বা পুনঃঅর্থায়নের সময়ও বাড়তি ব্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে বাজেট ঘাটতি কমানো এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণে রাখা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

২০১০ থেকে ২০১২ সালের ইউরোজোনের ঋণসংকটের সময় গ্রিস, ইতালি ও স্পেনের মতো দেশগুলোকে ৫ শতাংশ বা তার বেশি সুদে ঋণ নিতে হয়েছিলো। সুদের হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর আয়ারল্যান্ড ও পর্তুগালকে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিতে হয়।

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ এবং সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার দেশজুড়ে পাঁচ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়।

বৈশ্বিক ঋণ ছাড়িয়েছে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার

শুধু সরকারি খাত নয়, পরিবার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সব খাতের ঋণও বাড়ছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইএফ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বে মোট ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। গত জুনের শেষে বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।

এ হিসাবে বিশ্বের প্রত্যেক মানুষের বিপরীতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার ডলার। তবে এটি মাথাপিছু ঋণের একটি গড় হিসাব; বাস্তবে এ ঋণ সমানভাবে ব্যক্তিদের ওপর বণ্টিত নয়। এর বড় অংশ সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবারের দায় হিসেবে রয়েছে।

আইআইএফের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক ঋণ বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো থেকে। একই সঙ্গে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতেও ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়ছে। গত এক বছরে এসব দেশের সরকার সরকারি বন্ডের সুদ পরিশোধে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ব্যয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি বন্ডের সুদ পরিশোধে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর ব্যয় বিশ্বের সামরিক খাতে ৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ের চেয়েও বেশি।

সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়লে সরকারকে অন্যান্য খাতের বরাদ্দ কমানো কিংবা কর বাড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারি সহায়তা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সরকারি ঋণের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপরও পড়ে

সরকারের ঋণ নেয়ার খরচ বেড়ে গেলে বেসরকারি খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সরকারি বন্ডের সুদের হার বাড়লে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ প্রদানের খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। এর প্রভাব পড়তে পারে আবাসন ঋণ, গাড়ি কেনার ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের সুদের হারে।

এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ঋণ ব্যয় বাড়লে নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের কাছে সরকারি ঋণ তাই শুধু একটি দেশের আর্থিক হিসাবের বিষয় নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির সক্ষমতা ও জনকল্যাণের সঙ্গেও সম্পর্কিত। ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করা গেলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। বিপরীতে, ঋণের অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত না হলে এবং সুদ পরিশোধের ব্যয় দ্রুত বাড়লে ভবিষ্যৎ বাজেটের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।

বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিগুলোর ঋণ বৃদ্ধির পরিসংখ্যানের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্যও ঋণ ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ঋণের অর্থের কার্যকর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ ঋণের পরিমাণের চেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে তা পরিশোধের সক্ষমতা এবং অর্থনীতিতে এর সুফল কতটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে, সেটিই আর্থিক স্থিতিশীলতার অন্যতম নির্ধারক।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

কোরআনের আয়াত তুলে মুসলিমবিদ্বেষের নিন্দা বিল ক্লিনটনের
আল-আকসার খতিবকে আটক করলো ইসরায়েল
বিশ্বে ঋণে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নাহিদের
নেতানিয়াহুর গাড়িবহরে গাড়িবহরে হামলা, জেরুজালেমেই আক্রান্ত
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছয় নারী
জীবিকার তাগিদে জরায়ু বাদ দিচ্ছেন নারী শ্রমিকরা
এনসিপির নতুন কমিটি, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস
ঢাকা-দাম্মাম-রিয়াদ ফ্লাইট ফের স্থগিত
সৌদিতে দণ্ডিত আরও ২০ বাংলাদেশি, সাজার তথ্য চাইলো কনস্যুলেট
জাপানের ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাংলাদেশে
রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণ
দিল্লিতে ৭০০ মুসলিম পরিবার উচ্ছেদের উদ্যোগ, মসজিদেও নোটিশ
জুলাই স্বীকার, ক্ষমা চাইলেই আ.লীগের রাজনীতি: তথ্যমন্ত্রী
রেকর্ডের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারালো শ্রীলঙ্কা
সিসিইউতে সংকটাপন্ন মঈন খান, দেখতে গেলেন রিজভী
ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
ভারতে তিন খ্রিষ্টান পরিবারকে পূজা পালনে বাধ্য করার অভিযোগ
সাইবার হামলার শঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ