Sobar Desh | সবার দেশ বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:০৪, ২০ জুলাই ২০২৬

ক্যানসারের কাছে হার, না ফেরার দেশে জেনিফার

ক্যানসারের কাছে হার, না ফেরার দেশে জেনিফার
ছবি: সংগৃহীত

মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি রক ব্যান্ড ‘এলসেভেন’ (L7)-এর বেসিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ। ৫৭ বছর বয়সে তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে। সহশিল্পী, ভক্ত ও অনুরাগীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মরণ করছেন ই প্রভাবশালী সংগীতশিল্পীকে।

জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে জেনিফার ফিঞ্চের মস্তিষ্কে ক্যানসার ধরা পড়ে। অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে বিশ্বজুড়ে ভক্তরা তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে চিকিৎসা কার্যক্রম দীর্ঘায়িত হওয়ার আগেই চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জেনিফারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ‘এলসেভেন’ ব্যান্ড তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে ব্যান্ডের সদস্যরা বলেন, আমরা আমাদের প্রিয় ব্যান্ডমেট, বোন এবং বন্ধু জেনিফার ফিঞ্চকে হারিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। তার অদম্য মানসিক শক্তি এবং সীমাহীন সৃজনশীলতা এলসেভেনকে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তিনি আমাদের সবার জীবন চিরদিনের জন্য বদলে দিয়েছেন।

আরও বলা হয়, জেনিফার ছিলেন একেবারেই ব্যতিক্রমী একজন মানুষ, যিনি নিজের শর্তে জীবন কাটিয়েছেন। সংগীত, শিল্প এবং তার সান্নিধ্য যাদের জীবনে এসেছে, তাদের ওপর তার প্রভাব ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমরা তাকে গভীরভাবে ভালোবাসতাম। তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। শান্তিতে ঘুমাও, আমাদের প্রিয় বন্ধু।

রক সংগীতের ইতিহাসে জেনিফার ফিঞ্চ একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডে যোগ দেন এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ব্যান্ডটির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেন। নব্বইয়ের দশকে বিশ্বজুড়ে গ্রাঞ্জ ও ‘রায়ট গার্ল’ আন্দোলনের সময় এলসেভেন নিজেদের স্বতন্ত্র সংগীতধারার মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

বিশেষ করে ১৯৯২ সালে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক ‘রিডিং ফেস্টিভ্যাল’-এ কিংবদন্তি ব্যান্ড নির্ভানার সঙ্গে একই মঞ্চে এলসেভেনের পরিবেশনা রক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

চলতি বছরের শুরুতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ব্যান্ডটির বহুল আলোচিত ‘লাস্ট হুররাহ ট্যুর’-এর যুক্তরাষ্ট্র পর্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন জেনিফার। পরে জানা যায়, মস্তিষ্কে ক্যানসার ধরা পড়ায় চিকিৎসার জন্যই তিনি মঞ্চ থেকে দূরে ছিলেন।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে জেনিফার ফিঞ্চ শুধু একজন দক্ষ বেসিস্টই নন, বরং নারী রকশিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যু আন্তর্জাতিক রক সংগীত অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ডেঙ্গুর থাবা আরও ভয়াবহ, একদিনে ৩ মৃত্যু
খুনি আসাদুজ্জামানকে ফেরাতে দিল্লিকে ঢাকার চিঠি
পদত্যাগ করলেন কিয়ের স্টারমার, স্থলাভিষিক্ত অ্যান্ডি বার্নহ্যাম
বার্সেলোনার ছোঁয়াতেই স্পেনের দুই বিশ্বজয়
মেজর মোজাফফরের বিচার হবে জেনারেল কোর্ট মার্শালে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এআই ক্যামেরার আওতায়
দুই শিরোপাতেই স্পেনের প্রতিপক্ষ পেয়েছে লাল কার্ড!
একতরফা খেলে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন
প্রথম হাফটাইম শো, মঞ্চ মাতালেন শাকিরা
ইয়ামালের ঝলক, প্রথমার্ধে চাপে আর্জেন্টিনা
সংস্কার ছাড়া চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস বন্ধ হবে না: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী
জুলাইয়ের চেতনা দিয়ে রাজনীতি করা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আমরা হাসিনার আসার অপেক্ষায় আছি: আইনমন্ত্রী
দেশের স্বার্থে সংস্কারের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে: হাসনাত
সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে ৩০০ কোট, শত কামিজসহ বিলাসপণ্যের ভাণ্ডার
পাসপোর্টে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি; ফিরছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্ত
কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেফতার
বগুড়ার আলোচিত ৩ ইউনিয়নের নতুন নাম অনুমোদন
ক্যানসারের কাছে হার, না ফেরার দেশে জেনিফার
নিষেধাজ্ঞা শিথিলে ৬ বিলিয়ন ডলারের তেল রফতানি করেছে ইরান