Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৩২, ১১ অক্টোবর ২০২৬

মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী

মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তার দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিদায়ের পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে। বর্তমান সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইকে তিনি একই সূত্রে দেখছেন।

সংসদের সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সাংসদদের উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে রাহুল গান্ধী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল একজন নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও অধিকার রক্ষার প্রশ্ন জড়িত। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকারের পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

রাহুল গান্ধী আরও বলেন, গত কয়েক দিনে বিরোধী দলগুলো যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, তাতে ক্ষমতাসীন শিবিরের ওপর চাপ বেড়েছে। বিরোধীদের এ ঐক্যবদ্ধ অবস্থান সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে দেয়া এক পোস্টেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন কংগ্রেস নেতা। সেখানে তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এ সরকারও যাবে। এরপরই গণতন্ত্র মেরামতের কাজ শুরু হবে। বিরোধীদের আন্দোলন অব্যাহত থাকলে সরকারের পতন অনিবার্য বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও সরকারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সম্পর্ক নিয়ে বিরোধীদের অসন্তোষ আবারও সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত, ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আসছে। এসব বিষয়ে জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন বিরোধী নেতারা।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার ভোটার তালিকাসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ খবর প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়।

তবে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক এবং তাদের নেয়া নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত আইনসম্মত। ফলে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সরকারের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ভর করবে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ, বিরোধীদের ঐক্য এবং দেশের রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

নেহা বোরাকে মুক্তি দিলো দিল্লি পুলিশ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, আহত ১৫
ভারতের জেন-জি আন্দোলনে নাহিদ ইসলামের সংহতি
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ঢাকা-রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত
মুক্তি পেলেন মমতা ও কেজরিওয়াল
আলম আরা মিনুর কণ্ঠে ‘কৃষ্ণ কালা’
বেনাপোলে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচার, ঢাকায় আটক
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় শিশুসহ নিহত ৯
নাগরিক সেবার বেহাল, নগর পিতা ঘুমান!
দিল্লিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী আটক
দিল্লিতে মমতা, কেজরিওয়াল ও পিনারাই আটক!
তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিলো সে রাতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সুমনের
ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা বললেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়কে বিক্ষোভ