Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৪৪, ২৬ জুলাই ২০২৬

ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর

ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেই আন্দোলনের লক্ষ্য পূরণ হয়নি, এবার মোদি সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সময় এসেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে দেয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তিনি দেশজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

রাহুল বলেন, আন্দোলনের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। একটি হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষার্থী ও দেশের ভবিষ্যতের কাছে ক্ষমা চাওয়া, অন্যটি শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া।

তিনি আরও বলেন, শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, কৃষক, শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষের মতো সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষও সরকারের দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই সংবিধানসম্মত উপায়ে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাহুল গান্ধী তার পোস্টে লেখেন, এ সরকারকে সরানোর সময় এসেছে। ভয় পাবেন না।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে শনিবার পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রশ্নফাঁস, নিয়োগে অনিয়ম এবং বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগের জেরে শুরু হওয়া এ আন্দোলনে তার পদত্যাগ ছিলো অন্যতম প্রধান দাবি।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা, শিক্ষার্থীদের আইনি জটিলতা থেকে দূরে রাখা এবং তাদের লেখাপড়া ও ভবিষ্যতের স্বার্থ বিবেচনা করেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সরকার একদিন সময় চেয়েছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দিল্লির যন্তর-মন্তরে আয়োজিত সমাবেশে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের জন্য ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির ‘তেলাপোকা’ মন্তব্য না এলে এ আন্দোলনের জন্ম হতো না।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে ঘিরেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, মন্তব্যটি বেকার তরুণদের উদ্দেশে নয়, বরং ভুয়া আইন ডিগ্রিধারীদের প্রসঙ্গে করা হয়েছিলো। তবে এরই মধ্যে মন্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়।

সবার দেশ/কেএম

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

ব্যালন ডি’অর দৌড়ে কারা এগিয়ে?
সিরিয়ায় দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৩৫, আহত ৩০
ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর
বিমানবন্দরে আবার আগুন, কার্গো ভিলেজের পাশে ধোঁয়া; দ্রুত নিয়ন্ত্রণে
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বসিত বলিউড
অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই ইসরায়েলি সেনা হত্যা করলো এক ফিলিস্তিনি
৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত চুপ্পু
প্রথম স্ত্রী-সন্তান রেখে ভাগনিকে বিয়ে, মেঘনায় যুবদল নেতা গ্রেফতার
ধানমন্ডির সুধা সদন থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
একদিন পুলিশ বানিয়ে দিন, পিটিয়ে সোজা করে দেবো-হুমকি উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের
আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
পাকিস্তানে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, সেনা চেকপোস্টে নিহত ২৭
চুপ্পুর পদত্যাগপত্রে ভুল ও অসংগতির ছড়াছড়ি
সাংবিধানিক শূন্যতা থেকে দেশকে রক্ষা করেছি: চুপ্পু
প্রিজন ভ্যানের সামনে একা দাঁড়িয়ে ভাইরাল! কে এই ভারতীয় মডেল?