Sobar Desh | সবার দেশ মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:১৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ০০:১৮, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বেনাপোলে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

বেনাপোলে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারও ঘোষণাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম। সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে লুকিয়ে আনা ৬৭৯ পিস উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় এক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেডে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) বেনাপোল তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন ও মুক্তা চৌধূরী।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ঢাকার ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত চালানটি ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স অ্যান্ড লেস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন বেনাপোল খাজা এন্টারপ্রাইজ’। ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪, তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬।

ঘোষণা অনুযায়ী প্যাকেজ সংখ্যা ছিলো ২৬০টি। তবে গণনার সময় অতিরিক্ত ৭টি প্যাকেজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮টি প্যাকেজে পাওয়া যায় ঘোষণাবহির্ভূত উন্নতমানের শাড়ি-যার মধ্যে ২৫০টি মিডিয়াম মানের এবং ৪২৯টি গর্জিয়াস শাড়িসহ মোট ৬৭৯ পিস।

পণ্যগুলো ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে আনা হয়। ডব্লিউবি-২৫-ডি-১২৩৫ নম্বর ট্রাকে ১২৫ প্যাকেজ এবং এনএল-০২-এন-৮৩৮৩ নম্বর ট্রাকে ২৩৫ প্যাকেজ নিয়ে আসার কথা।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ঘটনাস্থল ১৯ নাম্বারের শেড ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, ঘোষণাবহির্ভূত ও ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, প্রতি পিস শাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ ডলার এবং শুল্ক ১২৯ শতাংশ প্রযোজ্য ছিলো। সে হিসেবে জব্দকৃত শাড়িগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিলো।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মৃত আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করা প্রতিনিধি ইব্রাহীমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পণ্যটি রিসিভ করেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইমরান হোসেন (কার্ড নং ৮২/২০)।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের শুল্ক ফাঁকি নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।

এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মেঘনার চরে ঝড়ে আটকা দুই শতাধিক পর্যটক
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ
রাস্তায় কোরবানির বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
জিয়াউর রহমান: জাতীয় পুনর্জাগরণের রূপকার
চামড়া পাচার ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার
পানির দামে চামড়া, ক্রেতা সংকটে রাস্তা-নদীর পাড়ে স্তূপ
ঢাবিকে ‘কোচিং সেন্টার’ বলা ববি হাজ্জাজ তোপের মুখে, বক্তব্য প্রত্যাহার
পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে গিয়ে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জে ভারত
প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে বিচারপতি রেজাউল হক
ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত
আমেরিকার জরুরি তেলের ভান্ডার দ্রুত খালি করছেন ট্রাম্প
ঈদেও ভাঙলো না চামড়াবাজারের অচলাবস্থা
ভাইরাল সেই মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ যাচ্ছে মিরপুর চিড়িয়াখানায়