Sobar Desh | সবার দেশ মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২:২১, ২ মে ২০২৬

অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার

মে দিবসে বেনাপোলে ৫ হাজার শ্রমিকের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

মে দিবসে বেনাপোলে ৫ হাজার শ্রমিকের বর্ণাঢ্য র‍্যালি
ছবি: সবার দেশ

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নর উদ্যোগে বেনাপোলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা। শুক্রবার (১ মে) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বন্দর এলাকা।

১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলনে শ্রমিকদের আত্মত্যাগের স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মহান মে দিবস। সে ইতিহাসকে সামনে রেখেই বেনাপোলে নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করেন শ্রমিকরা।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বন্দরসংলগ্ন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় থেকে প্রায় এক মাইল দীর্ঘ র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি বেনাপোল বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শ্রমিকদের হাতে ছিল মে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা নানা স্লোগান ও ব্যানার।

র‍্যালির একটির নেতৃত্ব দেন মো. সহিদ আলী, যিনি বেনাপোল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫র সাধারণ সম্পাদক এবং শার্শা উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি তবিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ইদ্রিস আলীসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তব্যে মো. সহিদ আলী বলেন, মে দিবস শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের প্রতীক। এ দিনে আমরা শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে বন্দর এলাকায় শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করছি।

একই সময়ে হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৮৯১র উদ্যোগেও পৃথক আরেকটি র‍্যালি বের করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন হোসেন।

র‍্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবেদার রহমান, ক্যাশিয়ার শফিকুল ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা এবং আইন ও শ্রমিক সম্পাদক অহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিকরা।

এ সময় স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে র‍্যালিতে অংশ নেন।

র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একসময় শ্রমিকদের প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত অমানবিক পরিশ্রম করতে হতো। বিনিময়ে তারা পেতেন সামান্য মজুরি। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে আট ঘণ্টা কর্মদিবসের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হয়েছে। তাই মে দিবস শুধু উৎসব নয়, এটি শ্রমিক অধিকারের সংগ্রামের ইতিহাসও বহন করে।

আলোচনা শেষে শ্রমিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

নেহা বোরাকে মুক্তি দিলো দিল্লি পুলিশ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, আহত ১৫
ভারতের জেন-জি আন্দোলনে নাহিদ ইসলামের সংহতি
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ঢাকা-রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট অনির্দিষ্টকাল স্থগিত
মুক্তি পেলেন মমতা ও কেজরিওয়াল
আলম আরা মিনুর কণ্ঠে ‘কৃষ্ণ কালা’
বেনাপোলে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচার, ঢাকায় আটক
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় শিশুসহ নিহত ৯
নাগরিক সেবার বেহাল, নগর পিতা ঘুমান!
দিল্লিতে যুদ্ধ পরিস্থিতি, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী আটক
দিল্লিতে মমতা, কেজরিওয়াল ও পিনারাই আটক!
তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিলো সে রাতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সুমনের
ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা বললেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়কে বিক্ষোভ