Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:১৭, ১০ নভেম্বর ২০২৫

আপডেট: ১৮:১৯, ১০ নভেম্বর ২০২৫

হাইকোর্টে ইসির গেজেট বাতিল: বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার নির্দেশ

হাইকোর্টে ইসির গেজেট বাতিল: বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার নির্দেশ
ফাইল ছবি

বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জেলার চারটি আসন বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল কবির।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত রুল জারি করে জানতে চান— কেনো বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখতে নির্দেশ দেয়া হবে না এবং কেনো আসন কমানোর ইসির গেজেট অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

এ রিটটি যৌথভাবে দায়ের করেছিলেন বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ট্রাক মালিক সমিতি। রিটে বিবাদী করা হয় বাংলাদেশ সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয় এবং ৪ সেপ্টেম্বর সে সিদ্ধান্তের গেজেট প্রকাশ করে।

গেজেট অনুযায়ী নতুন আসন বিন্যাসে বাগেরহাট-১ করা হয় সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট; বাগেরহাট-২ হয় ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা; আর বাগেরহাট-৩ হয় কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে।

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে হরতাল, অবরোধ ও বিক্ষোভসহ নানা আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলো।

১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন— বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল, মোংলা) এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)— বহাল ছিল। আদালতের রায়ের ফলে এ ঐতিহাসিক আসন বিন্যাসই এখন বহাল থাকছে।

সবার দেশ/কেএম

সর্বশেষ