আদানির ইউনিট বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিংয়ের চাপ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের মধ্যেই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার-এর একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই ইউনিটে হঠাৎ কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর নিরাপত্তার স্বার্থে ইউনিটটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ত্রুটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরে আদানি পাওয়ার থেকে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছিলো। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সে সরবরাহ কমে বর্তমানে ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য, ভারত থেকে আমদানি করা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এর প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালের মার্চে এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে একই বছরের জুনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
বিদ্যুৎ খাতে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, সরবরাহে এ ঘাটতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা বৃদ্ধির সময় এ পরিস্থিতি ভোগান্তি বাড়াতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
সবার দেশ/কেএম




























