Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩৩, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি না যাওয়ার ঘোষণায় কমলো আদানির বিদ্যুৎ

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি না যাওয়ার ঘোষণায় কমলো আদানির বিদ্যুৎ
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে না যাওয়ার ঘোষণা আসার পরদিনই ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হয়েছে। একই সময়ে দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর তথ্য সামনে এসেছে।

ঘটনার সময়গত মিলকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর বাতিলের সঙ্গে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনও যোগসূত্র আছে কি না। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য নথি বা নির্ভরযোগ্য তথ্য থেকে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ভারত সরকার বা আদানি পাওয়ার ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-০১ হুমায়ূন কবীর ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন না। এর পরদিনই জানা যায়, ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ হয়ে গেছে।

ফলে কেন্দ্রটির উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ঘাটতি এমন সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির সংকটে দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থা আগে থেকেই চাপে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছিলো। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে তারেক রহমানের অংশ নেয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা ছিলো। শেষ পর্যন্ত তিনি সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে দেয়া হয়েছিলো। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের জন্য ‘অনুকূল পরিবেশ’ প্রয়োজন বলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো।

এর মধ্যেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটির উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বয়লারের একটি সমস্যার কারণে ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে এবং মেরামতের আগে সেটিকে ঠান্ডা করতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

অর্থাৎ আদানি পাওয়ারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সর্বশেষ উৎপাদন ঘাটতির কারণ কারিগরি ত্রুটি। এর আগে অবশ্য কয়লা সরবরাহের সমস্যার কথাও জানিয়েছিলো প্রতিষ্ঠানটি।

আদানির কয়লা সংকট

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই আদানি পাওয়ার জানিয়েছিলো, ভারতের রেলপথে জট, বিভিন্ন স্থানে লোডিং বিধিনিষেধ এবং কয়লা পরিবহনে বিঘ্নের কারণে গোড্ডা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে দিনের অপেক্ষাকৃত কম চাহিদার সময়ে উৎপাদন কমিয়ে সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময় সরবরাহ ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছিলো।

১১ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, এর আগের রাতে কেন্দ্রটি ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিলো। কিন্তু একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে।

পিডিবির এক সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, ইউনিটটির একটি ফিড ইউনিটে সমস্যা দেখা দেয়ার পর অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে যায়। এ কারণে সেটি বন্ধ করতে হয়। মেরামতের আগে ইউনিটটি ঠান্ডা করতে হয় এবং পুরোপুরি উৎপাদনে ফিরতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।

কারিগরি ত্রুটি যে কোনও বিদ্যুৎকেন্দ্রেই হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর বিদ্যুৎব্যবস্থায় একটি বড় আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন হঠাৎ কমে গেলে তার প্রভাব জাতীয় গ্রিডে পড়াটাই স্বাভাবিক।

২০১৭ সালের চুক্তি, দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা

আদানির গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি হয় ২০১৭ সালে। কেন্দ্রটির মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট এবং দুটি ইউনিটের প্রতিটির সক্ষমতা ৮০০ মেগাওয়াট।

চুক্তিটি আগের সরকারের সময়ে করা হলেও এর দায় বর্তমান সরকারের ওপরও রয়েছে, কারণ দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বহাল রেখেই বাংলাদেশ কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কিনছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, চুক্তিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার মতো পরিস্থিতির জন্য কী ধরনের সুরক্ষা রাখা হয়েছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত পরিমাণ বিদ্যুৎ দিতে ব্যর্থ হলে তাদের দায় কতটুকু এবং বাংলাদেশ কী ধরনের প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রাখে—তা চুক্তির সংশ্লিষ্ট ধারা বিশ্লেষণ করেই নির্ধারণ করা সম্ভব।

আদানি চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে এর আগেও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ চুক্তির শর্ত পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তবে চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে কি না, তা নির্ভর করবে নির্দিষ্ট চুক্তির শর্ত ও আইনি কাঠামোর ওপর।

রাজনৈতিক সময়ের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকটের মিল

সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ঘটনাগুলোর সময় নিয়ে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে যখন ঢাকা-দিল্লির মধ্যে আলোচনা চলছিলো, তখনই সফরের জন্য ‘অনুকূল পরিবেশের’ প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়। এরপর সেপ্টেম্বরের শুরুতেও সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিলো।

১০ সেপ্টেম্বর স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না। আর এর পরদিনই আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর আসে।

একদিনের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে সময়ের মিলকে সরাসরি কারণ-ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ আদানি পাওয়ার আগেই কয়লা সরবরাহের সমস্যার কথা জানিয়েছিলো এবং সর্বশেষ ইউনিট বন্ধের কারণ হিসেবে কারিগরি ত্রুটির কথা বলা হয়েছে।

তাই এখন মূল প্রশ্ন হলো—এটি কি নিছক কারিগরি ও জ্বালানি সংকটের ধারাবাহিকতা, নাকি ঢাকা-দিল্লির রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহও কোনওভাবে চাপ তৈরির উপাদান হয়ে উঠছে?

এ প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন তথ্য ও নথি, রাজনৈতিক অনুমান নয়।

বিদ্যুৎ সংকট আগে থেকেই

বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট অবশ্য শুধু আদানির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তৈরি হয়নি। গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির সংকটে দেশের একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।

ফলে জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে লোডশেডিংয়ে। এমন পরিস্থিতিতে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এ কারণেই প্রশ্ন উঠছে, দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থা কেন একটি বিদেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

আদানির বিদ্যুৎ কোনও অনুদান নয়

আদানির কাছ থেকে বাংলাদেশ বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পায় না। চুক্তির আওতায় অর্থ পরিশোধ করেই বিদ্যুৎ কেনে বাংলাদেশ। ফলে এটি একটি বাণিজ্যিক সম্পর্ক।

এ কারণে নির্ধারিত সরবরাহ ব্যাহত হলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাওয়া উচিত—চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের দায় কী এবং এর ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের ক্ষতিপূরণ বা চুক্তিগত সুবিধা পাওয়ার অধিকারী।

একই সঙ্গে জানতে হবে, একটি ইউনিট বন্ধ থাকলেও অন্য ইউনিটের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে কি না। কয়লা সরবরাহের সমস্যা কেনো দীর্ঘস্থায়ী হলো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আদানি পাওয়ার কী পদক্ষেপ নিয়েছে—সেসব তথ্যও প্রকাশ করা প্রয়োজন।

কূটনীতিতে নতুন বাস্তবতা

ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কেও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে পারস্পরিক স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও সমতার ভিত্তিতে পরিচালনার ওপর জোর দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে কি না, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। একইভাবে ভারতের সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্যও কোনও রাজনৈতিক চাপের বিষয় হওয়া উচিত নয়।

বরং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যত গভীর হবে, চুক্তিগুলো তত বেশি স্বচ্ছ, ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ সরবরাহ রাজনৈতিক অস্ত্র হতে পারে না

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ দ্রুত স্পষ্ট করা। যদি এটি নিছক কারিগরি ত্রুটি হয়, তাহলে দ্রুত মেরামত করে পূর্ণ উৎপাদনে ফেরার পাশাপাশি বাংলাদেশকে বিস্তারিত প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা দেয়া উচিত।

আর যদি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পেছনে কোনও বাণিজ্যিক বা রাজনৈতিক কারণ থাকে, তাহলে বিষয়টি আরও গুরুতর। কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহ কোনও দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে চাপ তৈরির হাতিয়ার হতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী দিল্লি গেলেন না এবং ঠিক পরদিন আদানির বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেলো—এ সময়গত মিল প্রশ্ন তৈরি করতেই পারে। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে অনুমান দিয়ে নয়, আদানি পাওয়ারের উৎপাদন তথ্য, কয়লা সরবরাহের নথি, চুক্তির শর্ত, পিডিবির তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে।

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা একটাই—বিদ্যুৎ নিরাপত্তা কোনও একক বিদেশি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল রাখা যাবে না। কারণ একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার ঘটনা যদি জাতীয় পর্যায়ে হাজার হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি তৈরি করে, তাহলে সেটি শুধু সাময়িক সংকট নয়; এটি দেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তার কাঠামোগত দুর্বলতারও ইঙ্গিত।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত ১৮ সেপ্টেম্বর
ভারত থেকে বাংলাদেশে টনে টনে ইলিশ আমদানি
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার
বিশ্বনেতাদের চোখ সরাতে দিল্লির বস্তি ঢাকলো কাপড়ে
প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি না যাওয়ার ঘোষণায় কমলো আদানির বিদ্যুৎ
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পাহারাদার চায় না ইরান: মাসুদ পেজেশকিয়ান
শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসিতে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির
জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃত্বে বাকের-তাহমীদ
বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধেও হুতি থেকে পিছু হটলো যুক্তরাষ্ট্র!
হরমুজে নির্দিষ্ট সময় ছাড়া মার্কিন সুরক্ষা সম্ভব নয়
তরুণদেরকেই দায়িত্ব নিয়ে দেশটা গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী
অভিষিক্ত রাজাউল্লাহর রেকর্ডে পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য কামব্যাক
ছাত্রশক্তির কাউন্সিল আজ, গোপন ভোটে নির্বাচিত হবে নেতৃত্ব
ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শুরু আজ