সিএএর বিধান তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী নন: শুভেন্দু
ভারতের পশ্চিমবঙ্গেরমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের মুখে ভারতে আশ্রয় নেয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে কোনওভাবেই ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলা যাবে না। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী তারা শরণার্থী এবং আইন তাদের বিশেষ সুরক্ষা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী শরণার্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে আইনি পার্থক্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী, ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে অথবা জীবন রক্ষার্থে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ সিএএর আওতায় শরণার্থী হিসেবে বিবেচিত হন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের ফৌজদারি মামলা করা যাবে না এবং পুলিশও তাদের হয়রানি করতে পারবে না।
একই সঙ্গে রাজ্যে অবস্থানরত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান পশ্চিমবঙ্গের এ বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করা হবে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শুভেন্দু অধিকারীর ভাষ্য, ভারতের ওপর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভরণপোষণ বা তাদের দায়িত্ব বহনের কোনও নৈতিক কিংবা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। তাই এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুসারেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্দিষ্ট ছয়টি অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। আইনটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ও আইনি আলোচনা চলছে।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
সবার দেশ/কেএম




























