Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৬, ১০ মে ২০২৬

মোদির ‘দুর্নীতিবাজ’ বলা শুভেন্দুই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

মোদির ‘দুর্নীতিবাজ’ বলা শুভেন্দুই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর আবারও আলোচনায় এসেছে তার বিরুদ্ধে ওঠা পুরোনো দুর্নীতির অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে ভাইরাল হয়েছে একটি পুরোনো ভিডিও, যেখানে তাকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিলো। আর সে অভিযোগ নিয়েই একসময় তীব্র সমালোচনা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

ভিডিওটি প্রকাশ করেছিলো নারদ নিউজ। সেখানে দেখা যায়, শুভেন্দু অধিকারীসহ তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতাকে গোপন ক্যামেরায় টাকার বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিতে। অভিযোগ ছিলো, কয়েকটি ঘটনায় অন্তত পাঁচ লাখ রুপি পর্যন্ত ঘুষ নেয়া হয়েছিলো।

২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ভিডিওকে বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করেছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সে সময় বিজেপির প্রচারণায় শুভেন্দুকে দুর্নীতির প্রতীক হিসেবেও তুলে ধরা হয়। তবে পরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেয়ার পর দলটির বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ওই ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয় বলে সমালোচকদের অভিযোগ।

নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর পুরোনো সে ভিডিও আবার ছড়িয়ে পড়ায় রাজনৈতিক মহলে নৈতিকতা, আদর্শ ও রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, যাকে একসময় দুর্নীতির অভিযোগে আক্রমণ করা হয়েছিলো, তাকেই এখন নেতৃত্বের সর্বোচ্চ আসনে বসিয়েছে বিজেপি।

নারদ কাণ্ডে তৃণমূলের কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হলেও শুভেন্দু অধিকারীকে কখনও গ্রেফতার করা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপিতে যোগ দেয়ার পর কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো তার বিরুদ্ধে কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয়েছিলো তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দ্রুতই তিনি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখে পরিণত হন।

বিশেষ করে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন তাকে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। জমি অধিগ্রহণবিরোধী ওই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে বড় পরিবর্তন আনে এবং শুভেন্দু আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

পরবর্তীতে ২০০৯ ও ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় পরিবহন ও সেচ দফতরের দায়িত্ব পান তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে।

অবশেষে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর অমিত শাহর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জাতীয় পর্যায়েও ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধান মুখ হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই পুরোনো দুর্নীতির বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

রিজার্ভে স্বস্তি, ছাড়ালো ৩৬ বিলিয়ন ডলার
১৭ বছর পর পেয়েছি কার্যকর জাতীয় সংসদ: স্পিকার
রোনালদোর জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো পর্তুগাল
৫ আগস্টের পর আ.লীগের রাজনীতি শেষ হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম
কৃষক কার্ড পেয়ে ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন আর নেই
অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা ৫ কোটি টাকা
ফ্রান্সে গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
খামেনির দাফন ও শেষ বিদায়ের সূচি ঘোষণা
বর্ধিত স্বাস্থ্য বাজেট অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগের আহ্বান প্রজ্ঞার
গোল্ডেন বুটের পথে দুর্বার মেসি
কাতারের গ্যাস কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৩
পদত্যাগের ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের
ঢাবির চার শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
মেসির ঝড়ে উড়ে গেলো অস্ট্রিয়া, জোড়া গোলে দাপুটে জয় আর্জেন্টিনার