জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলো: রাষ্ট্রপতি
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সংকটময় সময়ে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান-এর স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলো।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াল ও বেদনাবিধুর দিন। ওই রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালায়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য মানুষ নিহত হন।
তিনি উল্লেখ করেন, ওই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সাহস জুগিয়েছিলো। এর মাধ্যমে মানুষ সংগঠিত হয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধে নেমে পড়ে এবং শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে লাখো শহীদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয় দেশের স্বাধীনতা। তিনি এদিন সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতিহাসের এ নির্মম অধ্যায় সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাঁথা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
রাষ্ট্রপতি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধর্ম-বর্ণ-দল-মত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে কাজ করতে হবে।
সবার দেশ




























