মালদ্বীপ দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে আগ্রহ
মালদ্বীপে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। ভবিষ্যতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউ রশিদ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আইনি সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মালদ্বীপে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে হাইকমিশনার ইতিবাচক সাড়া দেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে সম্ভাব্য আইনি বিরোধ পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের হাইকমিশনার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্নদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি মালদ্বীপের আইন ও বিচারব্যবস্থা, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় এবং হাইকমিশনার হিসেবে নিজের দায়িত্ব ও কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করেন। ইন্টার্নদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।
পরে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে আদালত পরিদর্শন করেন হাইকমিশনার। অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্তত দুটি আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন শিউ রশিদ।
সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নুরে আলম সিদ্দিকী।
মালদ্বীপে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়ে দেশটির এ আগ্রহ বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে আইনি সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























