Sobar Desh | সবার দেশ আবু ইউসুফ


প্রকাশিত: ২১:২৯, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২২:০৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে নারী অন্ধকারের বিরুদ্ধে একাই জ্বালিয়েছিলেন আলো

আলোর মশাল হাতে এক মহীয়সী ‘নবাব ফয়জুন্নেছা’

আলোর মশাল হাতে এক মহীয়সী ‘নবাব ফয়জুন্নেছা’
ছবি: সংগৃহীত

ফয়জুন্নেছা ছিলেন না কোনও সভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেয়া মানুষ। তার হাতে ছিলো না কোনও রাজনৈতিক পতাকা। ছিলো না আধুনিক শিক্ষার সুযোগ, ছিলো না নারী অধিকার নিয়ে কথা বলার কোনও নিরাপদ পরিসর। ছিলো কেবল অদম্য ইচ্ছাশক্তি, বিপুল মানবিকতা এবং নিজের সম্পদকে মানুষের সম্পদে পরিণত করার অসাধারণ সাহস।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর। ১৯০৩ সালের এ দিনে কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁওয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন উপমহাদেশের নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে ১২৩ বছর। কিন্তু সময়ের এ দীর্ঘ ব্যবধানও তার কর্মের দীপ্তিকে ম্লান করতে পারেনি।

বরং আজকের বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে তার জীবনকে যত গভীরভাবে দেখা যায়, ততই বিস্ময় জাগে—একজন নারী কীভাবে উনিশ শতকের রক্ষণশীল, পুরুষতান্ত্রিক ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের ভেতর দাঁড়িয়ে এমন বিস্তৃত পরিবর্তনের বীজ বপন করেছিলেন?

যে সময়ে মেয়েদের জন্য বিদ্যালয়ের দরজা ছিলো প্রায় বন্ধ, সে সময়ে তিনি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে সময়ে নারীর চিকিৎসা ছিলো উপেক্ষিত, তিনি নারীদের জন্য হাসপাতাল গড়েছেন। যে সময়ে সাধারণ মানুষের সুপেয় পানির নিশ্চয়তা ছিলো না, তিনি পুকুর ও দীঘি খনন করেছেন। যে সময়ে নারীর হাতে কলম থাকা ছিলো বিস্ময়ের বিষয়, সে সময়ে তিনি সাহিত্য রচনা করেছেন।

আর এসব কিছু করেছেন নিজের সামর্থ্য ও সম্পদ দিয়ে।

এ কারণেই ফয়জুন্নেছাকে শুধু ‘নবাব’ উপাধির ভেতর আটকে রাখলে তার প্রতি অবিচার হবে। তিনি ছিলেন একা একটি প্রতিষ্ঠান। একা একটি আন্দোলন। একা একটি আলোকবর্তিকা।

যখন মেয়েদের জন্য শিক্ষা ছিলো প্রায় নিষিদ্ধ

ফয়জুন্নেছার জন্ম ১৮৩৪ সালে কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁওয়ের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে। পিতা আহমেদ আলী চৌধুরী, মাতা আরাফান্নেছা চৌধুরানী। সে সময়ে বাংলার মুসলিম সমাজে মেয়েদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ ছিলো অত্যন্ত সীমিত।

কিন্তু ফয়জুন্নেছা নিজেই হয়ে উঠেছিলেন নিজের শিক্ষার পথপ্রদর্শক। গৃহশিক্ষকের কাছে তিনি বাংলা, আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় জ্ঞান অর্জন করেন। জ্ঞানকে তিনি কখনও ব্যক্তিগত অলংকার হিসেবে রাখেননি। বরং বুঝেছিলেন—নিজে আলোকিত হওয়ার সবচেয়ে বড় অর্থ হলো অন্যকে আলোকিত করার পথ তৈরি করা।

১৮৭৩ সালে কুমিল্লায় মেয়েদের জন্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা তার সে চিন্তারই বাস্তব রূপ। প্রতিষ্ঠানটি পরবর্তীকালে ‘নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে পরিচিত হয়। উপমহাদেশে মুসলিম নারীদের শিক্ষার প্রসারে এটি ছিলো একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

কিন্তু এখানেই থামেননি তিনি।

দূরদূরান্তের দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা যাতে পড়াশোনা করতে পারে, সে জন্য ছাত্রীনিবাসের ব্যবস্থাও করেছিলেন। নিজের জমিদারি এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মক্তব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।

একবার ভাবুন—আজকের সময়ে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা যেখানে প্রশাসনিক পরিকল্পনা, সরকারি অনুমোদন, বিশাল অর্থব্যয় ও নানা অবকাঠামোর বিষয়, সেখানে প্রায় দেড়শ বছর আগে একজন নারী নিজের উদ্যোগে মেয়েদের জন্য শিক্ষার দরজা খুলছেন!

এটি শুধু দান নয়। এটি ছিলো সামাজিক বিদ্রোহের এক শান্ত, কিন্তু গভীর রূপ।

রোকেয়ার আগেই যে নারী পথ দেখিয়েছিলেন

বাংলার নারী জাগরণের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার নাম উচ্চারিত হয় যথার্থ সম্মানের সঙ্গে। কিন্তু ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য প্রায়ই আড়ালে পড়ে থাকে—ফয়জুন্নেছা রোকেয়ার জন্মের সাত বছর আগেই নারীশিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন।

রোকেয়া এসেছেন পরে। ফয়জুন্নেছা তার আগেই দেখিয়ে দিয়েছিলেন, নারীকে ঘরের অন্ধকারে আটকে রাখলে কোনও সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না।

তাদের সময়, কর্মপদ্ধতি ও সামাজিক পরিসর ছিলো ভিন্ন। কিন্তু লক্ষ্য ছিলো অভিন্ন—নারীর শিক্ষা, মর্যাদা ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করা।

এ ধারাবাহিকতার জায়গা থেকেই ফয়জুন্নেছাকে নতুন করে পড়া দরকার।

কারণ ইতিহাস শুধু কে আগে জন্মেছেন, কে পরে এসেছেন—তার হিসাব নয়। ইতিহাসের বড় প্রশ্ন হলো, কে নিজের সময়কে অতিক্রম করে ভবিষ্যতের জন্য পথ তৈরি করেছিলেন।

ফয়জুন্নেছা সে পথিকৃৎদের একজন।

জমিদার ছিলেন, কিন্তু প্রজার দুঃখ ভুলে যাননি

জমিদারি তখন শুধু সম্পদ নয়, ক্ষমতারও প্রতীক। সে ক্ষমতা অনেকের কাছে ব্যক্তিগত বিলাসের মাধ্যম হলেও ফয়জুন্নেছার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার ছিলো ভিন্ন।

প্রজাদের জীবনযাত্রার প্রয়োজনকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সুপেয় পানির জন্য দীঘি ও পুকুর খনন করেছেন। কৃষিকাজ ও সেচের সুবিধার জন্য জলাধার তৈরি করেছেন। রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কারে অর্থ ব্যয় করেছেন।

১৮৯৩ সালে তিনি দাতব্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ‘ফয়জুন্নেছা জেনানা হাসপাতাল’ নামে পরিচিত হয়।

নারীর চিকিৎসার জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠান—আজকের চোখে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কিন্তু উনিশ শতকের বাংলায় এটি ছিলো অত্যন্ত অগ্রসর চিন্তা।

একজন নারী তখন নিজের জমিদারি পরিচালনা করছেন, সাহিত্য লিখছেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছেন, হাসপাতাল গড়ছেন, জনকল্যাণমূলক কাজ করছেন—একই সঙ্গে।

তাই ফয়জুন্নেছার জীবনের সবচেয়ে বড় বিস্ময় সম্ভবত তার বহুমাত্রিকতা।

সম্পদ ছিলো তার হাতে, কিন্তু সম্পদের মালিকানা ছিলো মানুষের

ফয়জুন্নেছার জীবন থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা সম্ভবত এখানেই।

তিনি বুঝেছিলেন, সম্পদের প্রকৃত মূল্য তার পরিমাণে নয়, তার ব্যবহারে।

নিজের জন্মভূমিতে মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি হজ পালনের সময় মক্কাতেও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অর্থ ব্যয় করেন। মুসাফিরখানা, খাল খনন এবং ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহযোগিতার সঙ্গে তার নাম যুক্ত হয়ে আছে।

অর্থাৎ তার মানবিকতার কোনও সীমানা ছিলো না।

তিনি যে সমাজে জন্মেছিলেন, সে সমাজের সীমাবদ্ধতাকে তিনি নিজের চিন্তার সীমা বানাননি।

কলমও ছিলো তার আরেকটি অস্ত্র

ফয়জুন্নেছার হাতে শুধু দানের খাতা ছিলো না, ছিলো কলমও।

তিনি ছিলেন সাহিত্যিক। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয় তার কাব্যগ্রন্থ ‘রূপজালাল’। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, বিশেষ করে নারী সাহিত্যিকদের বিকাশের ধারায়।

‘সঙ্গীত লহরী’ ও ‘সঙ্গীত সার’সহ তার সাহিত্যকর্ম তার বহুমাত্রিক মননের পরিচয় বহন করে।

আরও পড়ুন <<>> পলাশী ট্র্যাজেডি দিবস আজ, যে বিশ্বাসঘাতকতা বদলে দিয়েছিলো বাংলার ইতিহাস

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন—তিনি এমন এক সময়ে লিখেছেন, যখন নারীর কণ্ঠস্বর প্রকাশের সুযোগই ছিলো সীমিত। ফলে তার সাহিত্যচর্চা ছিলো কেবল সৃজনশীলতার প্রকাশ নয়; এটি ছিলো নারীর বুদ্ধিবৃত্তিক অস্তিত্বেরও ঘোষণা।

এক অর্থে তার বিদ্যালয় ছিলো সমাজের জন্য, আর তার কলম ছিলো সময়ের বিরুদ্ধে।

ব্রিটিশের ‘নবাব’ উপাধি—কিন্তু প্রকৃত পরিচয় অন্যত্র

ফয়জুন্নেছার জনহিতকর কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে ১৮৮৯ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করে।

ইতিহাসের এ ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন এ উপাধি নয়।

একজন নারীকে ‘নবাব’ বলা হয়েছিলো—এটি ইতিহাসের একটি ঘটনা।

কিন্তু একজন নারী নিজের সম্পদ দিয়ে হাজার মানুষের জীবন বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন—এটি ইতিহাসের একটি উত্তরাধিকার।

উপাধি সময়ের সঙ্গে ম্লান হতে পারে। মানুষের জন্য করা কাজ মুছে ফেলা কঠিন।

পশ্চিমগাঁওয়ের মাটিতে আজও তার পদচিহ্ন

১৯০৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। লাকসামের পশ্চিমগাঁওয়ে নিজের প্রতিষ্ঠিত দশ গম্বুজ মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

আজও সেখানে দাঁড়ালে মনে হয়, ইতিহাস খুব দূরের কোনও বিষয় নয়। ইতিহাস কখনও কখনও মাটির নিচে শুয়ে থাকে, আবার কখনও পুরোনো ইটের গায়ে, কোনও বিদ্যালয়ের নামফলকে কিংবা একটি বইয়ের পাতায় বেঁচে থাকে।

ফয়জুন্নেছাও তেমনই বেঁচে আছেন।

তার নামে বিদ্যালয় আছে। তার প্রতিষ্ঠিত জনকল্যাণমূলক কাজের স্মৃতি আছে। তার সাহিত্য আছে। তার জমিদারবাড়ি আছে। আছে সে দশ গম্বুজ মসজিদ।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—আমাদের স্মৃতিতে তিনি কতটা আছেন?

ইতিহাসের পাতায় নাম থাকলেই কি দায়িত্ব শেষ?

এখানেই আজকের সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন।

আমরা ফয়জুন্নেছাকে স্মরণ করি, তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করি, তার নামে প্রতিষ্ঠান চালাই। কিন্তু তার জীবনদর্শনকে কতটা ধারণ করি?

আজও কত পরিবারে মেয়ের শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আজও নারীকে নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে নানা সামাজিক বাধার মুখে পড়তে হয়। আজও শিক্ষার সুযোগে বৈষম্য আছে। আজও গ্রাম ও শহরের মধ্যে সুযোগের ব্যবধান আছে।

তাহলে ফয়জুন্নেছার ১২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী কি শুধু ফুল দেয়ার দিন?

নাকি নিজের দিকে তাকানোর দিন?

তিনি তার সময়কে বদলাতে চেয়েছিলেন। আমরা কি আমাদের সময়কে বদলানোর সাহস রাখি?

তিনি নিজের সম্পদকে মানুষের জন্য ব্যয় করেছিলেন। আমরা কি নিজেদের সামর্থ্যের সামান্য অংশও সমাজের জন্য ব্যয় করতে প্রস্তুত?

তিনি মেয়েদের জন্য বিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন। আমরা কি আজকের মেয়েদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সমান সুযোগের সমাজ দিতে পারছি?

এ প্রশ্নগুলোর উত্তরই আসলে ফয়জুন্নেছাকে স্মরণ করার প্রকৃত অর্থ।

ফয়জুন্নেছা শুধু অতীত নন, তিনি ভবিষ্যতেরও নাম

১২৩ বছর আগে একজন নারী চলে গেছেন। কিন্তু তার কাজ শেষ হয়নি।

কারণ শিক্ষা শেষ হয়নি। নারী জাগরণের প্রয়োজন শেষ হয়নি। মানবিকতার প্রয়োজন শেষ হয়নি। বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রয়োজন শেষ হয়নি।

তাই ফয়জুন্নেছাকে শুধু উনিশ শতকের একজন মহীয়সী নারী হিসেবে দেখলে তার জীবনকে ছোট করে দেখা হবে।

তিনি আমাদের ইতিহাসের একটি আয়না।

সে আয়নায় তাকালে দেখা যায়—একজন নারী চাইলে নিজের সময়ের বহু প্রচলিত ধারণাকে অতিক্রম করতে পারেন। সম্পদ থাকলে তা দিয়ে প্রাসাদ বানানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ও বানানো যায়। ক্ষমতা থাকলে তা দিয়ে মানুষকে ভয় দেখানোর বদলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়। কলম থাকলে শুধু নিজের কথা নয়, একটি সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও লেখা যায়।

ফয়জুন্নেছা সে কাজটিই করেছিলেন।

তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় তাই ‘নবাব’ নয়।

তার সবচেয়ে বড় পরিচয়—তিনি আলো জ্বালিয়েছিলেন।

যে সময়ে চারপাশে অন্ধকার ছিলো, তখন তিনি মেয়েদের হাতে বই তুলে দিয়েছিলেন। যে সময়ে নারীর কণ্ঠস্বর চাপা ছিলো, তখন তিনি কলম ধরেছিলেন। যে সময়ে সম্পদ ছিলো ক্ষমতার প্রতীক, তখন তিনি সম্পদকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করেছিলেন।

আজ ১২৩ বছর পর তার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস যেনো আমাদের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে—

যে নারী তার সময়ের অন্ধকার ভেদ করে আলো জ্বালাতে পেরেছিলেন, আমরা কি তার জ্বালানো সে আলোটুকু অন্তত পরবর্তী প্রজন্মের হাতে পৌঁছে দিতে পারবো?

এ প্রশ্নের উত্তরেই বেঁচে থাকবে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর প্রকৃত উত্তরাধিকার।

লেখক ও সংবাদকর্মী
সদস্য, কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)

শীর্ষ সংবাদ:

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী
ইসরায়েলের পতন হতে যাচ্ছে: নেতানিয়াহু
তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন ডাচেস সোফি
নেতানিয়াহুর বিদায়ঘণ্টা! সরকার গঠনের দায়িত্বে গাদি আইজেনকট
হাতকড়া পরেই দেশে ফিরবেন পলাতক হাসিনা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭ নভেম্বরকে বিপ্লব, ২৪-কে নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ
পুরুষ মডেল ভাড়া কর প্রেমিকের আদলে ছবি তুলছেন চীনা তরুণীরা
অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা ছিলো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিসাইলের রেঞ্জ ২ হাজার কিমি পাল্লার সীমা তুলে নিলো ইরান
মিরপুরে বিহঙ্গ পরিবহনের বাসে আগুন
‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জনসমুদ্র
প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ড. মোশাররফের পুত্রবধূ নাইমার
মোদি সরকারের আমলে ২০ কোটি মুসলিম নিপীড়নের শিকার: সোনিয়া
জিয়াকে উদ্ধার করেছিলো সেনাবাহিনী, জাসদ নয়: সাখাওয়াত
কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
রেডি হও জামায়াত, পাকিস্তানই তোমাদের জায়গা: পাপিয়া
বিএনপির প্রচারণায় বাজলো হাসিনার গান, ভাইরাল ভিডিও
কোনও ডিসেম্বরে আপার ফেরার সুযোগ নেই: নাহিদ
পরাজিত শক্তি আবার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন: এনসিপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
পরীমনির বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ, সিজেএফডির নিন্দা
আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদের চরিত্র হননে ব্যস্ত: জামায়াত
বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে