Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:০১, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০০:০২, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘এসআরবি’ মোড়কে একই বাহিনী র‍্যাব: টিআইবি

‘এসআরবি’ মোড়কে একই বাহিনী র‍্যাব: টিআইবি
ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগকে ‘একই বাহিনী নতুন মোড়কে’ ফিরিয়ে আনার ঝুঁকি হিসেবে দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র‍্যাব বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও শুধু নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সম্ভব নয়। প্রস্তাবিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এ ব্যাপক ও অস্পষ্ট ক্ষমতা দেয়ার কারণে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

টিআইবির মতে, প্রস্তাবিত আইনে গোয়েন্দা নজরদারি, অভিযান, তল্লাশি ও সাধারণ তদন্তের পাশাপাশি ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা’ এবং ‘সরকার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব’-এর মতো অস্পষ্ট ক্ষমতা রাখা হয়েছে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নমত দমন ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেফতারের সুযোগ, নিজস্ব হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার প্রস্তাব নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব বিধান সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে দাবি টিআইবির।

নতুন বাহিনীতে র‍্যাবের সদস্যদের স্থানান্তরের প্রস্তাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। সংস্থাটির দাবি, যথাযথ যাচাই ছাড়া র‍্যাবের সদস্যদের ঢালাওভাবে এসআরবিতে নেয়া হলে অতীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ব্যক্তিরাও নতুন বাহিনীতে জায়গা পেতে পারেন। এজন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ‘ভেটিং’ প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছে তারা।

অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রস্তাবিত ব্যবস্থারও সমালোচনা করেছে টিআইবি। বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন করা হলে তদন্তে স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এর পরিবর্তে পুলিশ ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত মানবাধিকার ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্বাধীন তদারকি কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র‍্যাব বিলুপ্তি শুধু নাম ও কাঠামো পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধ করে আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার এবং কার্যকর জবাবদিহির ভিত্তিতে নতুন আইন প্রয়োগকারী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। শুধু ‘কসমেটিক মেকওভার’ দিয়ে নাগরিক বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করা যাবে না।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

জলবায়ু দুর্যোগ মানেনা সীমান্ত
ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে বার্সার গোলবন্যা
‘ইরানের আত্মসমর্পণ অলীক স্বপ্ন’
ভর্তুকির সার যাচ্ছে মিয়ানমারে, ফিরছে মাদক
আমি এখনও শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি: মেঘনা আলম
সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেফতার ১৪ হাজার অভিবাসী
বিরোধীদের ওয়াকআউটের মধ্যেই ৩ বিল পাস
‘এসআরবি’ মোড়কে একই বাহিনী র‍্যাব: টিআইবি
সীমা লঙ্ঘন না করার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
হোটেল সংকটে কোলকাতার রাস্তায় বাংলাদেশি রোগীরা
ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ তীব্র গুঞ্জন
মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬-এর মুকুট জোহেইরির মাথায়
রাবির হলে মশারির ওপর বিষধর সাপ
কোনও স্বৈরাচার আর এ দেশে ফিরতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম