সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ দর্শক-শ্রোতা
জাতীয় প্রেসক্লাবে জমকালো কাওয়ালী সন্ধ্যা
জাতীয় প্রেসক্লাবের আয়োজনে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো জমকালো কাওয়ালী সন্ধ্যা। জনপ্রিয় কাওয়ালী ও সুফি সংগীতের পরিবেশনায় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে তৈরি হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আবহ।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় কাওয়ালী ও সুফি সংগীতশিল্পী সমীর কাওয়াল, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন আরমান ও তাদের দলের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা। জনপ্রিয় উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালীর সুরে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।
বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরীর সঞ্চালনায় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় কাওয়ালীর আসর। জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি কবি হাসান হাফিজ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া।
আসরে একে একে পরিবেশন করা হয় জনপ্রিয় বেশ কিছু কাওয়ালী। এর মধ্যে ছিলো ‘আলী আলী মওলা আলী’, ‘পর্দা হ্যায় পর্দা’, ‘আমার দেহ মন বলে নবী নবী’, ‘ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো’, ‘দমাদম মাস্ত কালান্দর’ এবং ‘খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা’। শিল্পীদের কণ্ঠ ও বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে পরিবেশিত এসব গান দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী এবং দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।
এ ছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রাণা, সদস্য আবদুল হাই শিকদার, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাজী রওনাক হোসেন, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, মাসুমুর রহমান খলিলী, এ কে এম মহসীন ও জাহিদুল ইসলাম রনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংবাদিকদের কর্মব্যস্ততার বাইরে সাংস্কৃতিক বিনোদনের সুযোগ তৈরি এবং কাওয়ালী ও সুফি সংগীতের ঐতিহ্যকে সামনে আনতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শক-শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও করতালিতে মুখর ছিলো পুরো আয়োজন।
সবার দেশ/কেএম




























