উদ্ধারে প্রস্তুত পুলিশ
মেঘনার চরে ঝড়ে আটকা দুই শতাধিক পর্যটক
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত চর আব্দুল্লাহ এলাকায় ঘুরতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে তারা চরে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আর মূল ভূখণ্ডে ফিরতে পারেননি। গভীর রাত পর্যন্ত তাদের চরেই নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হয়েছে।
খবর পেয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তবে নদীতে তীব্র ভাটা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, জোয়ার শুরু হলেই ট্রলারযোগে পর্যটকদের নিরাপদে মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে আনা হবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় ঘুরতে আসেন। স্থানীয়দের কাছে এলাকাটি ‘মিনি কক্সবাজার’ নামেও পরিচিত।
শুক্রবার বিকালে কয়েকটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে পর্যটকদের একটি বড় দল চর আব্দুল্লাহতে বেড়াতে যান। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাও ছিলো উল্লেখযোগ্য।
চরে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই মেঘনা নদীতে হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এতে নদী উত্তাল হয়ে ওঠে এবং ট্রলার চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে পর্যটকরা আর ঘাটে ফিরতে না পেরে চরেই আটকা পড়েন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে লিটন দেওয়ান গণমাধ্যমকে জানান, দেড় শতাধিক মানুষ আটকা পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নদীতে তীব্র ভাটা চলছে। আটকে পড়া সবাই নিরাপদে আছেন। জোয়ার এলেই ট্রলার সচল করে তাদের উদ্ধার করা হবে।
এদিকে নিলুফা ইয়াসমিন নিপা-র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছিলো।
সবার দেশ/কেএম




























