সংরক্ষিত নারী আসনে নতুন বিতর্ক
সুবর্ণার পর এবার বিএনপির এমপি হচ্ছেন আওয়ামী নেত্রী মাধবী মারমা
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বিতর্ক আরও বিস্তৃত হচ্ছে। সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)কে নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে আরেকটি নাম—অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা।
দলীয় তালিকা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমাও রয়েছেন। তবে তার অতীত রাজনৈতিক ও পেশাগত সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় এপিপি (অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবেও দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
এ তথ্য সামনে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিরা কীভাবে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন।
আরও পড়ুন <<>> বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ‘আওয়ামী লীগ নেত্রী’ সুবর্ণা
এর আগে একই তালিকায় থাকা সুবর্ণা শিকদারকে নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন, যদিও তিনি দাবি করেছেন—তার অনুমতি ছাড়াই সে কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলো।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এমন বিতর্ক দলীয় অবস্থান ও বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শিবির থেকে আসা ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয়া হলে তা দলীয় কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
তবে এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয়ভাবে এখনো বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়ছে।
সবার দেশ/কেএম




























