অব্যাহতি পেলেন আরেক শিক্ষক
ঢাবির চার শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত
বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বাংলা বিভাগের এক শিক্ষককে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের রাজাকার ডাকা, হুমকি দেয়াসহ নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান থাকায় সংশ্লিষ্টদের সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া।
একই অভিযোগের ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বাংলা বিভাগের শিক্ষক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে বিভাগের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে তিনি আপাতত বিভাগীয় শিক্ষা ও একাডেমিক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব সোশ্যাল মিডিয়ায় গান পরিবেশনের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তার বিভিন্ন কার্যক্রমকে ঘিরে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষাপটে বিভাগের একাডেমিক কাউন্সিল বিষয়টি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে বরখাস্ত ও অব্যাহতির পেছনে নির্দিষ্ট অভিযোগ বা তদন্তের বিস্তারিত তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াগত নিয়ম মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সবার দেশ/কেএম




























