Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩৪, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০০:৩৪, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর

ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর
ফাইল ছবি

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। এসব শিক্ষার্থীকে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজন হলে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তাও দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানিয়েছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বিশেষ পলিসি’ তৈরি করা হচ্ছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, আগের সরকার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাবেনি। তবে বর্তমান সরকার তাদের জন্য বিশেষ নীতি প্রণয়ন করছে।

তিনি বলেন, এসব তরুণকে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে তোলা হবে এবং সে জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, 

এসব তরুণদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার কমে যাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা মূল্যায়ন পদ্ধতির স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন।

মাহদী আমিনের দাবি, আগের সরকারের সময়ে ফলাফল ভালো দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ বাড়ানো এবং পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও পাস করিয়ে দেয়ার মতো অনিয়মের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিলো।

তিনি বলেন, 

ফ্যাসিবাদী আমলে পরিসংখ্যান ভালো দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ এর বন্যা ভাসিয়ে দেয়া হতো। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েও পাস করিয়ে দেয়ার কালচার ছিলো। আমরা সে আত্মঘাতী পথ বন্ধ করেছি।

এবার কোনো শিক্ষার্থীকে গ্রেস নম্বর দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল পেয়েছে।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। আর অকৃতকার্য হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন।

বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারের নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এসব শিক্ষার্থী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ক্ষমার আদর্শের নামে জুলাই ধুয়ে যাওয়ার পথে!
লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী
পুনর্বহালের সুযোগ নেই ৮,৭৯৬ বিডিআর সদস্যের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, ৪ নৌকা জব্দ
বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, পাস এসআরবি বিল
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলো ৪৭ বাংলাদেশি
এনবিআর আন্দোলনে আরও ৩ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের শেষকৃত্যে চিন্ময় দাস
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: এখনই সময় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর
চাঁদাবাজির অভিযোগ ১৬ দিনে ১৮ কোটি টাকার
সংসদে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ রুমিনের
হরমুজে মার্কিন ড্রোন-সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো
ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের প্রবাসীরা: হাসনাত
এক ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণ