Sobar Desh | সবার দেশ ঢাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:৫৯, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০০:৫৯, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিএস হচ্ছেন রাশেদ খান

ঢাবির মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়

ঢাবির মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ২০১৯-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে রাশেদ খানকে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থীদের হলের প্রধান গেট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ১১টা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় নেয়া সিদ্ধান্তের বিষয়টি সিন্ডিকেট সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন।

রাশেদ খানকে জিএস ঘোষণার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস হিসেবে রাশেদ খানকে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে নির্বাচিত গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ভর্তি কার্যক্রম যথাযথ না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ছাত্রত্ব আগেই বাতিল করেছে। ছাত্রত্ব না থাকায় তার জিএস পদে থাকার সুযোগ নেই।

পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা মতামত দেন, গোলাম রাব্বানীর পর জিএস পদে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে ওই পদে ঘোষণা করা যেতে পারে। সিন্ডিকেট সভায় আইন উপদেষ্টার সে মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

ফলে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে গোলাম রাব্বানীর পর সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খানকে জিএস ঘোষণা করার পথ তৈরি হয়েছে।

মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়

সিন্ডিকেট সভায় নারী শিক্ষার্থীদের হলের প্রধান গেট বন্ধের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের আবাসিক হলগুলো রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, মেয়েদের হল বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে রাত ১১টায় হলের প্রধান গেট বন্ধ হবে।

নারী শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবির বিষয়েও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। কমিটি এসব দাবি পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুপারিশ দেবে।

তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল

সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান লিটু এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডিগ্রি না থাকায় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিন্ডিকেট।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ক্ষমার আদর্শের নামে জুলাই ধুয়ে যাওয়ার পথে!
লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী
পুনর্বহালের সুযোগ নেই ৮,৭৯৬ বিডিআর সদস্যের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, ৪ নৌকা জব্দ
বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, পাস এসআরবি বিল
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলো ৪৭ বাংলাদেশি
এনবিআর আন্দোলনে আরও ৩ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের শেষকৃত্যে চিন্ময় দাস
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: এখনই সময় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর
চাঁদাবাজির অভিযোগ ১৬ দিনে ১৮ কোটি টাকার
সংসদে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ রুমিনের
হরমুজে মার্কিন ড্রোন-সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো
ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের প্রবাসীরা: হাসনাত
এক ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণ