হুমায়ূন আহমেদের রূপকথার রাজ্য
নুহাশ পল্লী জাতীয়ভাবে সংরক্ষণের দাবি
সমকালীন বাংলা সাহিত্যের রাজপুত্র হুমায়ূন আহমেদ। বিস্ময়কর প্রতিভাধর এই সব্যসাচী লেখক তার সৃজনশীলতার আলো ছড়িয়ে জনপ্রিয়তায় নিজেকে এক অসামান্য উচ্চতায় স্থাপন করেছিলেন। নন্দিত নরকে উপন্যাসের মাধ্যমে সাহিত্য গগনে অতি অকস্মাৎ ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটেছিলো এ কিংবদন্তির।
ক্ষণজন্মা হুমায়ূন আহমেদ উজ্জ্বল এক অভিনব কণ্ঠস্বর নিয়ে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে প্রবেশ করেন জাদু বাস্তবতার হাত ধরে। নাগরিক মধ্যবিত্ত আর তারুণ্যের আবেগ-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে তিনি গল্প বলার অসাধারণ এক সম্মোহনী শক্তির পরিচয় দিয়েছেন। এ জাদুকরি শক্তিই তাকে অতিদ্রুত খ্যাতির চূড়ায় স্থাপন করেছিলো। উত্তরকালে হুমায়ূন আহমেদ হয়ে ওঠেন জীবনরসিক ও রূপদক্ষ এক অসাধারণ জননন্দিত কথাশিল্পী। তিনি বাংলা সাহিত্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির যাপন ও দিনবদলের প্রধান কথাকার। আজন্ম তিনি লিখে গেছেন মধ্যবিত্তের প্রেম এবং তার টানাপড়েন। কাহিনি বর্ণনায় টানটান উত্তেজনা, কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনার বিন্যাস, চমকপ্রদ নাটকীয়তা, বৈচিত্র্যময় ও বিশ্বাসযোগ্য চরিত্র সৃষ্টি এবং গভীর অন্তর্দৃষ্টি হুমায়ূন আহমেদকে পাঠকপ্রিয়তার তুঙ্গে তুলে আনে। মূলত স্বাধীনতা-উত্তর শহরকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা নতুন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণিই ছিলো তার প্রধান পাঠক।

একাধারে উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণ আখ্যান, ব্যক্তিগত রচনা, আত্মজীবনী, রস-রহস্য, কবিতা, গান, নাটক, চলচ্চিত্র, ছবি আঁকা, ছোটদের রচনা, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি, হিমু, শুভ্র, মিসির আলি, রূপা, মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস, রাজনৈতিক উপন্যাস এবং ঐতিহাসিক উপন্যাস— বিচিত্র সৃষ্টিসম্ভারে তিনি আমাদের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও সুশোভিত করেছেন। তিন শতাধিক গ্রন্থের জনক এ মানুষটিকে বলা হয় বাংলা সায়েন্স ফিকশনের পথিকৃৎ। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও তিনি সমানভাবে সমাদৃত। এর পাশাপাশি তার ছিলো গীতিকার কিংবা চিত্রশিল্পীর পরিচয়ও। সৃজনশীলতার প্রতিটি শাখায় তার সমান দক্ষতার বিচরণ ছিলো এবং সবখানেই তিনি সর্বোচ্চ সফলতা অর্জন করেছিলেন। চলচ্চিত্রের বদৌলতে তিনি মানুষকে আবার হলমুখী করেছিলেন। তার কল্যাণে এদেশের প্রকাশনাশিল্প জেগে ওঠে এবং পাঠক তৈরিতে নতুন এক ইতিহাস রচিত হয়। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে তিনি ক্রমাগত লিখে গেছেন এবং পাঠকদের তৃষ্ণা মিটিয়েছেন।

চরিত্রকথনরীতির উপন্যাসে তিনি সংলাপের মাধ্যমে যেমন চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতেন, তেমনি ঘটনাপ্রবাহকে এগিয়ে নিয়ে যেতেন। মিসির আলি এবং হিমু সিরিজগুলোতে এ রীতির সফল প্রয়োগ দেখা যায়। আবার জোছনা ও জননীর গল্প, বাদশা নামদার, দেয়াল, মধ্যাহ্ন ইত্যাদি উপন্যাসে তিনি বর্ণনাত্মক ধারার অভিনবত্ব দেখিয়েছেন। নাট্যগঠনরীতির উপন্যাসে তিনি কথার পিঠে কথা সাজিয়ে সংলাপের পথ ধরে পৌঁছে গেছেন চরিত্রের গভীরে। হুমায়ূন আহমেদের একটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিলো, তার সব ধরনের লেখার মধ্যে তিনি একটি সাধারণ মান বজায় রাখতে সমর্থ হয়েছিলেন। ফলে যুগের সব অভিজ্ঞানকে আত্মস্থ করে তিনি হয়ে ওঠেন সমকালের আশ্চর্য এক কথক এবং তাঁর সৃষ্টিমালা এখনো সমানভাবে জনপ্রিয়।

২০১২ সালের ১৯ জুলাই ৬৩ বছর বয়সে নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ মহান লেখক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আর মাত্র কিছুদিন পরেই তার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এ সাহিত্যিক বাহ্যিকভাবে চলে গেলেও তার অমর কীর্তির মাধ্যমে তিনি বেঁচে থাকবেন বহু যুগ ধরে।
হুমায়ূন আহমেদ আজ বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদে পরিণত হয়েছেন। তার জীবন-কর্ম, কাজের পরিবেশ, রুচিবোধ এবং তার সময়কার সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে তরুণ সম্প্রদায়ের মধ্যে কৌতূহল অনিষেষ। গুণী লেখক ও শিল্পীদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ সংরক্ষণ করা একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্মৃতি সংরক্ষণে তাদের বাসস্থানগুলোকে প্রায়শই স্মৃতি জাদুঘর বা হাউস মিউজিয়ামে রূপান্তর করা হয়। সংরক্ষিত এ বাস্তুভিটাগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে, যা দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন ঘটায়। দীর্ঘদিন ধরে হুমায়ূন আহমেদের মুগ্ধ পাঠক ও শিল্প-সংস্কৃতি বোদ্ধারা দাবি করে আসছেন এ গুণীজনের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ সংরক্ষণ করার জন্য। দেশের প্রত্নতত্ত্ব আইন ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার আওতায় এনে এ স্থাপনাগুলোকে রক্ষা করা এবং তার সৃষ্টিকর্ম, পাণ্ডুলিপি ও ব্যবহৃত সামগ্রী থ্রিডি স্ক্যানিং ও ডিজিটাল ক্যাটালগের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি।

হুমায়ূন আহমেদের হাতে গড়া গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামের রূপকথার রাজ্য নুহাশ পল্লী এবং তার ধানমন্ডির দখিন হাওয়া— এ দুটি ঠিকানা তার জনপ্রিয় বই ও নাটকের আবহ ও গল্পে বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। এর মধ্যে নুহাশ পল্লী ছিলো তার সময় যাপনের সবচেয়ে প্রিয় ঠিকানা। নিজের ও প্রিয়তম সন্তান নুহাশ হুমায়ূনের নামে প্রায় ৪০ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত এ নুহাশ পল্লী হুমায়ূন আহমেদের নিজ হাতে গড়া এক স্বপ্নভূমি ও প্রকৃতিপ্রেমের অনন্য নিদর্শন। প্রায় ৩০০ প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছে ঘেরা এ নুহাশ পল্লীতে রয়েছে তার প্রিয় বৃষ্টিবিলাস কটেজ, ট্রি-হাউস, সুইমিং পুল এবং তার সমাধি। নুহাশ পল্লীতে ঢুকলেই বাম দিকে চোখে পড়ে এক মনোরম সবুজ প্রান্তর। তারই পাশে লিচু বাগানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন হুমায়ূন আহমেদ। তিনি প্রায়শই এখানে চলে আসতেন সময় কাটাতে। কখনও আসতেন সপরিবারে, কখনও আসতেন বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে রাতভর আড্ডা দিতে। প্রতি বছর ১লা বৈশাখে এখানে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হতো। নুহাশ পল্লীতে তিনি শুটিং স্পট, লীলাবতী দিঘি আর তিনটি সুদৃশ্য বাংলো গড়ে তুলেছেন। শানবাঁধানো ঘাটের দিঘির দিকে মুখ করে বানানো বাংলোটির নাম তিনি দিয়েছিলেন ভূত বিলাস। দুর্লভ সব ঔষধি গাছ নিয়ে তৈরি বাগানের পেছনেই রয়েছে রূপকথার মৎস্যকন্যা আর রাক্ষসের ভাস্কর্য। আরও রয়েছে পদ্মপুকুর ও অর্গানিক শৈলীতে নকশা করা এবড়োথেবড়ো সুইমিং পুল। কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিলো এ নুহাশ পল্লী।

তবে তার মৃত্যুর পর নুহাশ পল্লীর দখল ও মালিকানা নিয়ে বিতর্ক ও বিরোধ চলে আসছে। লেখকের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বিগত সরকারের প্রভাব খাটিয়ে নুহাশ পল্লী করায়ত্ব করে এটিকে বাণিজ্যিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নুহাশের পরিবার ও তার প্রথম পক্ষের স্বজনরা। সচেতন মহলের অনেকেই মনে করেন, নুহাশ পল্লী অবহেলার শিকার হচ্ছে এবং এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। সাহিত্য-সংস্কৃতিকে অমরত্ব দান করতে হলে এ স্মৃতিগুলোকে জাতীয়ভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি। নুহাশ পল্লী রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিগ্রহণ করে এখানে একটি হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি জাদুঘর বা হাউস মিউজিয়াম করা এখন সময়ের দাবি। সেখানে একটি ফিল্ম ইনস্টিটিউট এবং ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে, যা একটি ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত হবে এবং যেখানে হুমায়ূন আহমেদের পুত্র নুহাশকে ট্রাস্টি বোর্ডে রাখা যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশেও এমন নজির ভুরিভুরি রয়েছে। বিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের জন্মভিটা ও জীবনের শেষ সময় কাটানোর বাড়িটি বর্তমানে অতি যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা দেখার জন্য সারা বিশ্বের পর্যটকরা ছুটে যান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলবার্ট আইনস্টাইনের জীবনের শেষ ২২ বছর কাটানো বাড়িটি একটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থান। ল্যেভ তলস্তয়ের এস্টেট ইয়াসানায়া পলিয়ানা আজ রাশিয়ার অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক তীর্থস্থান। বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের শেষ জীবনের বাড়িটি একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলার ঐতিহাসিক বাড়িটি ম্যান্ডেলা হাউস নামে মিউজিয়াম হিসেবে সংরক্ষিত। ফ্রান্সে ভিক্টর হুগোর বাড়ি বা পাবলো পিকাসোর মিউজিয়ামে তাদের অরিজিনাল পাণ্ডুলিপি, চিত্রকর্ম এবং দুর্লভ স্কেচগুলো ডিজিটাল আর্কাইভে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করা হয়েছে। একইভাবে নোবেলজয়ী মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বাড়িটিও এখন একটি জনপ্রিয় জাদুঘর।

আমাদের দেশেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের স্মৃতি রক্ষার্থে রাজবাড়ীর পদমদী গ্রামে স্মৃতি কেন্দ্র ও জাদুঘর নির্মিত হয়েছে। জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের স্মৃতিধন্য ত্রিশালের দরিরামপুর এবং কাজীর শিমলা গ্রামের দারোগা বাড়িকে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়ি এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর কাচারিবাড়ি দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত। নরসিংদীর পাঁচদোনা গ্রামে ভাষাবিদ ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ি এবং স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর মুন্সিগঞ্জের পৈত্রিক বাড়িটি বিজ্ঞান কমপ্লেক্স ও জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষিত। কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগড়দাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়িটিকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর মধুপল্লী হিসেবে রূপান্তর করে কবির স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করছে। এ ধারাবাহিকতায় হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিবিজড়িত নুহাশ পল্লী দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার দাবি উঠছে সর্বস্তর থেকে।

এ প্রসঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের অনেকেই এ দাবি তুলেছেন এবং আমার নিজের কাছেও মনে হয়েছে, বরেণ্য লেখক হুমায়ূন আহমেদ আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে একজন মহিরুহ ব্যক্তিত্ব। হুমায়ূন আহমেদ পাঠকের মনোজগৎ বদলে দিয়েছেন এবং তরুণ সম্প্রদায়কে বইমুখী করার অভাবনীয় কীর্তি দেখিয়েছেন। তার চলচ্চিত্রের গতিপ্রকৃতি দর্শকদের আবার হলমুখী করেছিলো এবং টেলিভিশনে তার নাটক পারিবারিক বিনোদনের নতুন অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছিলো। তার প্রতি মানুষের মুগ্ধতা ছিলো অসীম। তার একটি অমর কীর্তি এ নুহাশ পল্লী। এ কারণেই অনেকে এ নন্দনকাননকে জাতীয়ভাবে সংরক্ষণ করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছেন। তবে দাবি জানালেই তো সঙ্গে সঙ্গে হয় না, এর পেছনে কিছু বাস্তবতা ও আইনগত বিষয় জড়িত থাকে। নুহাশ পল্লী হয়তো কোনও ব্যক্তি বা পরিবারের মালিকানায় আছে, যা আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে। আইনগত দিকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হবে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ ও আইনগত যাচাইয়ের অবকাশ রয়েছে। তবে আমার মনে হয়, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি জাতীয়ভাবে সংরক্ষণের যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে। এটি যেহেতু একটি জোরালো জনদাবি, তাই সরকার অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখবে।
সবার দেশ/কেএম




























