Sobar Desh | সবার দেশ মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:১৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ০০:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬

৫২ বিলের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি

শার্শার চার দশক ধরে পানিবন্দি হাজারো একর জমি

শার্শার চার দশক ধরে পানিবন্দি হাজারো একর জমি
ছবি: সবার দেশ

যশোরের শার্শা উপজেলার ৫২টি বিলের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা এখন লাখো কৃষকের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে| এ সংকট নিরসনে দাউদখালী খাল সংস্কার এবং সোনাই নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকে সময়ের দাবি হিসেবে তুলে ধরছেন এলাকাবাসী ও বিশেষজ্ঞরা|

১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শার্শায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ‘উলশী-যদুনাথপুর’ প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন| পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে ‘মাখলা-দাউদখালী’ খাল সংস্কারের উদ্যোগও নেয়া হয়| গোগা ইউনিয়নের সেতাই ব্রিজ পর্যন্ত খালের কাজ এগোলেও তার মৃত্যুর পর প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ রয়ে যায়|

গত চার দশকে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে শার্শা উপজেলার উত্তরাঞ্চলের মাখলা ও বনমান্দার এবং দক্ষিণাঞ্চলের ঠেঙামারী ও গোমর বিলসহ মোট ৫২টি বিল বছরের অধিকাংশ সময় পানির নিচে থাকে|

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় ইছামতি নদীর জোয়ারের পানি দাউদখালী খাল দিয়ে প্রবেশ করে এসব বিলে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে| বর্ষা থেকে শীতের শেষ পর্যন্ত স্থায়ী এ জলাবদ্ধতার কারণে হাজার হাজার একর আবাদি জমি অনাবাদী পড়ে থাকছে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে|

স্থানীয় কৃষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংকট নিরসনে দুটি কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি| শার্শার কায়বা ইউনিয়নের গোমর বিলের আগা খাল থেকে কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের সোনাই নদী পর্যন্ত সংযোগ খাল খনন করতে হবে| এটি পানি নিষ্কাশনের প্রধান ধমনী হিসেবে কাজ করবে|

রুদ্রপুর সীমান্তে দাউদখালী খালের মুখে স্লুইস গেট নির্মাণ করলে ইছামতীর লোনা পানি প্রবেশ বন্ধ হবে এবং অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে|

আশির দশকের শুরুতে শুরু হওয়া খাল সংস্কার কাজ রাজনৈতিক অস্থিরতায় থমকে যায়| বর্তমানে দেশজুড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বাড়লেও শার্শা অঞ্চলের এ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এখনও বাস্তবায়নের অপেক্ষায়|

এলাকাবাসীর আশা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত ‘মাখলা-দাউদখালী’ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত হলে এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে|

সংশ্লিষ্টদের মতে, জলাবদ্ধতা নিরসন হলে শার্শা-কলারোয়া অঞ্চলে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে| এতে কৃষকের আয় বাড়বে এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে|

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

জলবায়ু দুর্যোগ মানেনা সীমান্ত
ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে বার্সার গোলবন্যা
‘ইরানের আত্মসমর্পণ অলীক স্বপ্ন’
ভর্তুকির সার যাচ্ছে মিয়ানমারে, ফিরছে মাদক
আমি এখনও শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি: মেঘনা আলম
সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেফতার ১৪ হাজার অভিবাসী
বিরোধীদের ওয়াকআউটের মধ্যেই ৩ বিল পাস
‘এসআরবি’ মোড়কে একই বাহিনী র‍্যাব: টিআইবি
সীমা লঙ্ঘন না করার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
হোটেল সংকটে কোলকাতার রাস্তায় বাংলাদেশি রোগীরা
ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ তীব্র গুঞ্জন
মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬-এর মুকুট জোহেইরির মাথায়
রাবির হলে মশারির ওপর বিষধর সাপ
কোনও স্বৈরাচার আর এ দেশে ফিরতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম