Sobar Desh | সবার দেশ মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:২৩, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ২০:২৪, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের ঠেঙামারী বিল

শার্শায় কচুরিপানায় ডুবে আছে হাজার বিঘা চাষের জমি

শার্শায় কচুরিপানায় ডুবে আছে হাজার বিঘা চাষের জমি
ছবি: সবার দেশ

যশোরের শার্শা উপজেলার ঠেঙামারী বিলে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিলে কচুরিপানা ও জলাবদ্ধতার কারনে এবছরও হাজার হাজার বিঘা জমি পতিত থাকার আশংকা রয়েছে। এ কারণে বোরো ধান রোপন করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

ঠেঙামারী বিলে এখন মাঠ ভর্তি কচুরিপানা। যা পরিস্কার করা দুরহ ব্যাপার। কৃষকদেরও মাথায় হাত। ইরি বোরো মৌসুম আগত। নভেম্বরের শেষের দিকে বীজতলা তৈরীর সময়। এখনও বিল ভর্তি পানি রয়েছে। কবে নামবে বিলের পানি কেউ জানে না। সে সাথে মাঠ জুড়ে কচুরিপানা। জমিতে পা ফেলানোর জায়গা নেই। শার্শা সীমান্তের ভারতের ইছামতি নদীর পানি এখনো প্রবেশ করছে বিলে। মাঠে কি ভাবে ধান চাষ করবে বোরো মৌসুমে এ চিন্তা কুরে কুরে খাচ্ছে চাষিদের। বিলে এখনো ৫ থেকে ৭ ফুট পানি জমে রয়েছে।

স্থানীয়রা কচুরিপানা পরিস্কার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। শনিবার বিকেল থেকে তারা বিল পরিস্কার করার জন্য ভাড়ায় অন্য উপজেলার থেকে কচুরিপানা কাটার মেশিন এনেছেন। মেশিনের সাহায্যে কচুরিপানা কেটে জমি পরিস্কার করার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, এবছর বিলে এবং খালে যে পরিমান কচুরিপানা জমে রয়েছে তাতে বোরো ধান লাগানোর কোনও সম্ভাবনাই তারা দেখছেন না। কচুরিপানা পরিস্কার করতে অনেক টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু এতো টাকা ব্যয় করে যদি সময় মত বিলের পানি না নামে। তা হলে সমস্ত টাকাটাই বিফলে যাবে।

স্থানীয় কৃষক নায়েব আলী জানিয়েছেন, মেশিনে এক বিঘা জমির কচুরিপানা পরিস্কার করতে সর্বনিম্ন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ পড়বে। আর এ কচুরিপানা রাখতে দুই কাঠা জমি ফেলে রাখতে হবে।

কৃষক আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, মাঠে কচুরিপানা পরিস্কার করা মেশিন আনা হয়েছে। যদি এতে খরচ কম হয় ও সহজে পঁচে নষ্ট হয় তা হলে তারা কচুরিপানা কাটা মেশিন দিয়ে জমি পরিস্কার করবেন। তিনি আরও বলেন, এতো কিছুর পরেও ধান না হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, আমরা ঠেঙামারী বিলের জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই স্থায়ী সমাধান চাই। শুনেছি সরকার খাল সংস্কার ও গেট নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছেন। যদি বাস্তবায়ন হয় তা হলে মাঠে ফসল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত এ সমস্যায় জর্জরিত। সমাধানে কেউ এগিয়ে আসেনি। ভারতীয় ইছামতি নদীর পানি এসে মাঠের পাশাপাশি বাড়িঘর প্লাবিত হয়ে যায়। খালের পানি বের করার কোন ব্যবস্থা নেই। শুনেছি সরকারিভাবে খাল সংস্কার ও দাউদখালী খালমুখে বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এলাকার সমস্যার সমাধান হবে কি না বলা যাচ্ছে না।

একই কথা জানান শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের সমস্যা এটা। বছরের বেশির ভাগ সময় ভারতীয় পানিতে খালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কয়েকবার পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাল সংস্কার ও দাউদখালী খালমুখে বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এলাকার সমস্যা কিছুটা লাঘব হবে বলে তিনি জানান। 

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ঢাকা-দাম্মাম-রিয়াদ ফ্লাইট ফের স্থগিত
সৌদিতে দণ্ডিত আরও ২০ বাংলাদেশি, সাজার তথ্য চাইলো কনস্যুলেট
জাপানের ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাংলাদেশে
রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণ
দিল্লিতে ৭০০ মুসলিম পরিবার উচ্ছেদের উদ্যোগ, মসজিদেও নোটিশ
জুলাই স্বীকার, ক্ষমা চাইলেই আ.লীগের রাজনীতি: তথ্যমন্ত্রী
রেকর্ডের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারালো শ্রীলঙ্কা
সিসিইউতে সংকটাপন্ন মঈন খান, দেখতে গেলেন রিজভী
ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
ভারতে তিন খ্রিষ্টান পরিবারকে পূজা পালনে বাধ্য করার অভিযোগ
সাইবার হামলার শঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
বিকিনি পরতে অস্বস্তি হয়: রাশমিকা
সাজেকে গোলাগুলি, নিরাপদে ফিরলেন পর্যটকরা
‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যকারী শনাক্ত
৩১ অক্টোবর জামায়াতের লংমার্চ, শুরু বায়তুল মোকাররমে
ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে, অভিজ্ঞতা কম: মনি
পণ্যবাহী গাড়ি আটকে লুট-চাঁদাবাজি, ছাত্রদলের ৮ জনকে শোকজ
রাশিয়ার এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট অক্ষত