আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে, তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা
তাপপ্রবাহের পর আসছে স্বস্তির বৃষ্টি
সারা দেশে কয়েক দিন ধরে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। তবে আশার খবর হলো—আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
বুধবার (১১ জুন) আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঐদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-একটি স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
এছাড়া টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাগেরহাট, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু জায়গায় কমে যেতে পারে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু অংশ এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কিছু স্থানে ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকতে পারে।
শুক্রবার (১৩ জুন) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের হার আরও বাড়বে। রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
শনিবার (১৪ জুন) এবং রোববার (১৫ জুন) একই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বেশিরভাগ জায়গায় এবং রাজশাহীর কিছু অংশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এ সময়ের মধ্যে সারা দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কিছুটা কমে যাবে এবং শেষের দিকে স্থিতিশীল থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এ পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপদাহের তীব্রতা কিছুটা প্রশমিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে।
সবার দেশ/এফএস




























