গুলির শব্দে শুনে ট্রাম্পকে ফেলেই আত্মরক্ষার পথে মেলানিয়া
ওয়াশিংটনের একটি হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে গুলির শব্দ শোনার পর মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস ডিনারে ঘটা এ ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় ২৫ এপ্রিল রাত ৮টা ২৬ মিনিটে ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন এবং অতিথিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। ওই সময় মঞ্চে থাকা জে ডি ভ্যান্সকেও দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়।
ঘটনার পরপরই মেলানিয়া ট্রাম্পের একটি ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, গুলির শব্দ শোনামাত্রই নিরাপত্তা কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই মেলানিয়া নিজের টেবিলের নিচে আশ্রয় নিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করছেন। এই ভিডিওটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
নেটিজেনদের একাংশ মেলানিয়ার এ তাৎক্ষণিক উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করে বলছেন, চরম বিপদের মুহূর্তে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি স্বাভাবিক ও সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে বিষয়টি নিয়ে কেউ কেউ কৌতুক করতেও ছাড়ছেন না।
যে সময় এ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তখন মঞ্চে মানসিক কৌশল প্রদর্শক শিল্পী ওজেড পার্লম্যানের একটি পারফরম্যান্স চলছিলো। গুলির শব্দে অনুষ্ঠানটি ভণ্ডুল হয়ে যায় এবং উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করেন। পরে অবশ্য ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কারা এ গুলির ঘটনার পেছনে দায়ী, সে সম্পর্কে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর ওয়াশিংটনের হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























