Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:২৮, ১৪ মে ২০২৬

স্টারমারকে ঘিরে টালমাটাল লেবার পার্টি

পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী!

পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী!
ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভরাডুবির পর তীব্র চাপে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও কিয়ার স্টারমার। একদিনেই তার সরকারের চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। একইসঙ্গে লেবার পার্টির অন্তত ৮৬ জন এমপি তাকে নেতৃত্ব ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও প্রকাশ্যে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পদত্যাগের কোনও ইচ্ছা তার নেই। তবে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি পদত্যাগের বিষয়টি ভেবে দেখছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের অভ্যন্তরে চাপ বাড়লেও এখনো স্টারমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ১১১ জন এমপি। মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের প্রতিও তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং যেকোনও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন। তবে লেবার পার্টি-সমর্থিত বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা মনে করছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনে স্টারমার দলের নেতৃত্বে থাকবেন না।

এমন পরিস্থিতিতে স্টারমার পদত্যাগ করলে কী ঘটতে পারে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, দলীয় এমপিদের অন্তত ২০ শতাংশ যদি প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দেন, তাহলে বর্তমান নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ শুরু করা যায়। যদিও সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেছেন, এখনও সে প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।

স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম ঘুরে ফিরে আসছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং, সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি স্ট্রিটিং বা রেনার। অন্যদিকে বার্নহ্যাম বর্তমানে পার্লামেন্ট সদস্য নন।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি। ৬৫০ আসনের হাউজ অব কমন্সে দলটি ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছিলো। বর্তমানে তাদের আসন সংখ্যা ৪০৩। ২০২০ সাল থেকে দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন স্টারমার।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে স্টারমার আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণাও দিতে পারেন। যুক্তরাজ্যের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী চাইলে রাজা তৃতীয় চার্লস-এর কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার অনুরোধ করতে পারেন। ‘ডিজলভ’ নামে পরিচিত এ প্রক্রিয়ার পর নতুন নির্বাচনের আয়োজন করা হয় এবং বর্তমান এমপিদের পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিতে হয়।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালের ১৫ আগস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হলে তার আগেই নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারেন স্টারমার।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে যোগ দেবেন মমতা!
সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়: আ ফ ম খালিদ
ইউরেনিয়াম ছাড়বে না ইরান, মজুতও দেবে না
রংপুরের চার খুনে ডিএনএ মিললো সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর
হুতিদের হামলায় রিয়াদে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল
পানির ন্যায্য হিস্যায় ভারতের সঙ্গে ছাড় নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
জন্মদিনেও ‘অকারণ’-এ হিমি
প্রীতি জিনতার দল ছাড়লেন দুই অজি কোচ
মাইক্রোসফটসহ ৭ প্রতিষ্ঠানের ভিসা কর্মসূচি স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মেঘনার দুই সন্তান
রফিকুল ইসলাম মিয়া নন, মারা গেছেন আইনজীবী রফিকুল হোসেন
নরসিংদীর পুকুরে ‘জলপরীর গুজব’, নেপথ্যে কি?
সাহিত্যে নোবেল পেলেন অ্যান কারসন
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন
ধ্বংসাবশেষের ধাক্কা থেকে বাঁচলো বাংলাদেশের স্যাটেলাইট
রোহিঙ্গাদের ৫ শর্ত, না হলে ফিরতে নারাজ ৮৭%
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতা, সরকারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি ক্রিস্টা পাইকের