Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:১১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংসার আছে জেনেও কেনো বয়স্ক পুরুষের প্রেমে পড়েন তরুণীরা?

সংসার আছে জেনেও কেনো বয়স্ক পুরুষের প্রেমে পড়েন তরুণীরা?
ছবি: সংগৃহীত

‘জানি, তার সংসার আছে। স্ত্রী আছে, সন্তানও আছে। তারপরও কেন যেন তার সঙ্গে কথা না বলে থাকতে পারি না।’ কথাটি বলছিলেন ২৮ বছর বয়সী এক তরুণী। নাম প্রকাশ করতে চান না তিনি। 

একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে তার পরিচয় হয় বয়সে প্রায় দুই দশকের বড় এক পুরুষের সঙ্গে। শুরুতে সম্পর্ক ছিলো নিছক পেশাগত। কাজের প্রয়োজনে কথা বলা, কোনও বিষয়ে পরামর্শ নেয়া কিংবা সমস্যায় সহযোগিতা—এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো যোগাযোগ।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে যায় সমীকরণ। নিয়মিত খোঁজ নেয়া, মন দিয়ে কথা শোনা, ব্যক্তিগত সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার আচরণে ওই তরুণীর মনে তৈরি হয় আলাদা এক অনুভূতি।

একসময় তিনি জানতে পারেন, ওই পুরুষ বিবাহিত এবং তার সন্তানও রয়েছে। ততদিনে অবশ্য আবেগ অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

এ গল্পটি কাল্পনিক হলেও এমন পরিস্থিতি একেবারে অস্বাভাবিক নয়। প্রশ্ন হলো—একজন পুরুষের স্ত্রী, সন্তান ও পূর্ণ সংসার রয়েছে জেনেও কেনো কোনও তরুণী তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়তে পারেন? এর পেছনে কি শুধু বয়সের আকর্ষণ, নাকি কাজ করে আরও গভীর কোনো মানসিক ও সামাজিক কারণ?

মনোযোগ থেকে আবেগ

মানুষের আবেগের বড় একটি অংশ তৈরি হয় যোগাযোগ ও পারস্পরিক মনোযোগ থেকে। কেউ নিয়মিত খোঁজ নিলে, মন দিয়ে কথা শুনলে, ব্যক্তিগত সমস্যাকে গুরুত্ব দিলে কিংবা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ালে তার প্রতি আলাদা এক ধরনের আস্থার জন্ম হতে পারে।

বিশেষ করে জীবনের অনিশ্চিত কোনও সময়ে একজন পরিণত ও অভিজ্ঞ মানুষকে স্থির, নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ মনে হতে পারে। সে নিরাপত্তার অনুভূতি ধীরে ধীরে মানসিক ঘনিষ্ঠতা এবং পরে প্রেমের অনুভূতিতেও রূপ নিতে পারে।

এখানে বয়স নিজে একমাত্র কারণ নয়। বরং বয়সের সঙ্গে পাওয়া অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস, কথাবলার ধরন, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা এবং সামাজিক অবস্থান আকর্ষণের অংশ হয়ে উঠতে পারে।

পরিণত পুরুষ কেনো আকর্ষণীয় মনে হতে পারেন

বয়সে বড় পুরুষের প্রতি আকর্ষণের ক্ষেত্রে অনেক সময় তার ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবনে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন মানুষ কীভাবে কথা বলেন, কীভাবে সমস্যার সমাধান করেন কিংবা কীভাবে অন্যকে আশ্বস্ত করেন—এসব আচরণ তরুণীর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

কারও কাছে আবার সামাজিক মর্যাদা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে থাকা, আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হওয়া কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হওয়াও আকর্ষণের কারণ হতে পারে।

২০২৫ সালে ‘সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিলেশনশিপ থেরাপি’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় তরুণী ও বয়স্ক পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুবিধা বা আর্থিক স্থিতিশীলতার ধারণার ভূমিকা পাওয়া যায়। তবে গবেষণাটির নমুনা সীমিত এবং অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় এর ফলাফলকে সব ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রয়োগ করা যায় না।

অর্থাৎ, কোনও তরুণী বয়স্ক পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হলেই ধরে নেয়া যাবে না যে সেখানে অর্থনৈতিক সুবিধাই প্রধান কারণ।

‘সে আমাকে বোঝে’

প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বোঝাপড়া। একজন তরুণী যদি মনে করেন, তার সমবয়সীদের তুলনায় কোনও বয়স্ক পুরুষ তাকে বেশি মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তার কথা বুঝতে পারেন কিংবা তার অনুভূতিকে গুরুত্ব দেন, তাহলে সে ব্যক্তির সঙ্গে মানসিক সংযোগ তৈরি হতে পারে।

এ জায়গা থেকেই সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। শুরুতে যে মানুষটি ছিলেন ‘ভালো শ্রোতা’ বা ‘বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা’, একসময় তিনিই হয়ে উঠতে পারেন আবেগের কেন্দ্রবিন্দু।

অনেক সম্পর্কই এভাবেই শুরু হয়। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর নিয়মিত যোগাযোগ, এরপর ব্যক্তিগত বিষয় ভাগাভাগি—একপর্যায়ে দুজনের একজন বুঝতে পারেন, সম্পর্কটি আর নিছক বন্ধুত্বের মধ্যে নেই।

গোপনীয়তা কি আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়?

বিবাহিত পুরুষকে ঘিরে তৈরি সম্পর্কের একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো গোপনীয়তা। সম্পর্কটি যখন প্রকাশ্যে আনা যায় না, তখন যোগাযোগের বড় একটি অংশ গোপন রাখতে হয়। কখনও নির্দিষ্ট সময়ে ফোন, কখনও মেসেজ, কখনও লুকিয়ে দেখা—এসব বিষয় সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের আলাদা উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

তবে এটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত কোনও ‘পরকীয়ার সূত্র’ বলা যাবে না। বরং সম্পর্কের গোপনীয়তা কখনও কখনও আবেগকে তীব্র করে তুলতে পারে—এমন একটি সম্ভাব্য মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হিসেবে বিষয়টি দেখা যেতে পারে।

একই সঙ্গে এ গোপনীয়তা সম্পর্কের ঝুঁকিও বাড়ায়। কারণ তখন বাস্তব জীবনের দায়িত্ব, বৈবাহিক সম্পর্ক, সামাজিক প্রতিক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও জটিল হয়ে পড়ে।

বয়সের ব্যবধান কি সত্যিই বড় কারণ?

বয়সের ব্যবধানযুক্ত সম্পর্ক সমাজে কোনও বিরল ঘটনা নয়। ২০২৪ সালে ইউরোপের ২৯টি দেশের প্রায় ৩৬ হাজার দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পুরুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীর বয়স কিছুটা কম হওয়ার প্রবণতা রয়েছে।

আবার ২০২৫ সালের একটি বড় গবেষণায় দেখা যায়, প্রথম দেখায় নারী ও পুরুষ উভয়েই নিজেদের তুলনায় কিছুটা কম বয়সী সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা দেখাতে পারেন।

অর্থাৎ, ‘নারীরা স্বভাবতই বয়স্ক পুরুষ পছন্দ করেন’—এমন সরল সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। মানুষের সঙ্গী নির্বাচনের পছন্দ ব্যক্তিভেদে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণা-তথ্যেও দেখা যায়, যৌনসঙ্গী হিসেবে নারীরা সাধারণত নিজেদের তুলনায় সামান্য বেশি বয়সী পুরুষের প্রতি আগ্রহ দেখাতে পারেন। তবে এটিও কোনও সার্বজনীন নিয়ম নয়।

তাহলে বিবাহিত পুরুষ কেনো?

এখানেই প্রশ্নটি আরও জটিল। একজন অবিবাহিত তরুণের তুলনায় একজন বিবাহিত পুরুষ কেনো কখনও তরুণীর কাছে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেন?

এর কোনও একক উত্তর নেই। কারও ক্ষেত্রে তার পরিণত আচরণ, কারও ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস, কারও ক্ষেত্রে সামাজিক অবস্থান কিংবা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ভূমিকা রাখতে পারে।

আবার কারও কাছে একজন বিবাহিত পুরুষের ‘দায়িত্বশীল’ পরিচয়ও আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। সংসার পরিচালনা, সন্তান লালন-পালন এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে আরও পরিণত হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বিবাহিত হওয়া মানেই কেউ বেশি পরিণত বা ভালো সঙ্গী হবেন, এমন কোনও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত নেই।

দায় কি শুধু তরুণীর?

এ ধরনের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রায়ই সব দায় তরুণীর ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতা এতটা একপাক্ষিক নয়।

একজন বিবাহিত পুরুষ যদি নিজের বৈবাহিক অবস্থা গোপন করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে আবেগের সুযোগ নেন কিংবা নিজের সংসারের সীমারেখা অতিক্রম করে নতুন সম্পর্ক তৈরি করেন, তাহলে সে সম্পর্ক তৈরিতে তার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, তরুণী যদি পুরুষটির বৈবাহিক অবস্থা জানার পরও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তখন তাকেও নিজের সিদ্ধান্ত, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে ভাবতে হয়।

অর্থাৎ, সম্পর্কের দায়িত্ব একতরফা নয়। এখানে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিদ্ধান্ত, সম্মতি, সীমারেখা এবং দায়িত্ব—সবকিছুই বিবেচ্য।

ভালোবাসা নাকি নিরাপত্তার অনুভূতি?

অনেক সময় মানুষ যে অনুভূতিকে প্রেম বলে মনে করেন, সেটির সঙ্গে নিরাপত্তা, স্বীকৃতি ও মানসিক নির্ভরতার সম্পর্ক থাকতে পারে।

কেউ যদি দীর্ঘদিন একাকিত্ব, অনিশ্চয়তা কিংবা মানসিক অবহেলার মধ্যে থাকেন, তাহলে যে ব্যক্তি তাকে গুরুত্ব দেন, তার প্রতি দ্রুত আবেগ তৈরি হতে পারে। আবার কোনও সম্পর্কের মধ্যে নিজের কথা বলার সুযোগ, প্রশংসা পাওয়া কিংবা মূল্যবান মনে হওয়ার অনুভূতিও আকর্ষণকে গভীর করতে পারে।

তাই শুধু বয়সের পার্থক্য দিয়ে এমন সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করা কঠিন।

সম্পর্ক টেকে কতটা?

বয়সের ব্যবধান নিজে কোনও সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না। তবে বয়সের সঙ্গে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সামাজিক অবস্থান, অভিজ্ঞতা ও সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতার বড় পার্থক্য থাকলে সম্পর্কে ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার পারিবারিক তথ্যভিত্তিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সে বড় ব্যবধান থাকা দম্পতিদের বৈবাহিক সন্তুষ্টি সময়ের সঙ্গে তুলনামূলক দ্রুত কমতে পারে। কয়েক বছর পর প্রাথমিক সন্তুষ্টির পার্থক্যও অনেকটাই কমে আসতে পারে।

২০২২ সালের একটি গবেষণায়ও বয়সের বড় ব্যবধানের সম্পর্কে ক্ষমতার ভারসাম্য তরুণ সঙ্গীর ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তবে এর অর্থ এ নয় যে বয়সে বড় ব্যবধান থাকা সব সম্পর্কই ব্যর্থ হয়। বরং সম্পর্কের স্থায়িত্ব নির্ভর করে পারস্পরিক সম্মান, যোগাযোগ, আস্থা, স্বাধীনতা ও ক্ষমতার ভারসাম্যের মতো অনেক বিষয়ের ওপর।

শেষ পর্যন্ত মানুষ কেনো প্রেমে পড়ে?

প্রেমের কোনও একক সূত্র নেই। কখনও একজন মানুষের কথা বলার ধরন, কখনও তার মনোযোগ, কখনও ব্যক্তিত্ব, আবার কখনও কঠিন সময়ে পাশে থাকার অভিজ্ঞতা আবেগ তৈরি করতে পারে।

স্ত্রী-সন্তান আছে জেনেও কোনও তরুণী বয়স্ক পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হলে সেটিকে শুধু ‘বয়স্ক পুরুষের প্রতি দুর্বলতা’ বলে ব্যাখ্যা করা তাই যথেষ্ট নয়। এর পেছনে থাকতে পারে মানসিক ঘনিষ্ঠতা, নিরাপত্তার অনুভূতি, প্রশংসা, ব্যক্তিত্বের আকর্ষণ, সামাজিক অবস্থান কিংবা দীর্ঘদিনের যোগাযোগ।

তবে সম্পর্কটি যদি একজন বিবাহিত ব্যক্তিকে ঘিরে হয়, তখন বিষয়টি শুধু দুজন মানুষের আবেগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি পরিবার, সন্তান, সামাজিক সম্পর্ক এবং ভবিষ্যতের নানা দায়িত্ব।

সুতরাং আকর্ষণ তৈরি হওয়া মানুষের স্বাভাবিক আবেগের অংশ হতে পারে, কিন্তু সে আবেগের ভিত্তিতে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে—সেটিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের অনুভূতি বোঝা, সম্পর্কের সীমারেখা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে জটিল পরিস্থিতিকে আরও বড় সংকটে পরিণত হওয়া থেকে ঠেকাতে।

সবার দেশ/কেএম

সূত্র: গ্রাসিয়া ডেইলি ইউকে, দ্য গার্ডিয়ান

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান
সংসার আছে জেনেও কেনো বয়স্ক পুরুষের প্রেমে পড়েন তরুণীরা?
ইরানি এয়ারলাইন্সে বিশ্বজুড়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী
ভালোবাসা ভাগের নয়, সম্পূর্ণ চাই—এমপি নজরুলের স্ত্রীর চিরকুট
আজিমপুরে বাসে আগুন দেয়ার চেষ্টা, যুবলীগকর্মী আটক
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার পাশে বিস্ফোরণ, নিহত ৭
চুয়েটের ৯ শিক্ষার্থীকে শোকজ, র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ
দুপুরে একসঙ্গে খাবার,সন্ধ্যায় নজরুলের স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ
ভাত খাওয়া নিয়ে ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
জবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ: ৮ বহিষ্কার
ইমরান খানের বোন আলিমা খান গ্রেফতার
প্রথম স্ত্রীসহ এমপি নজরুল পুলিশ হেফাজতে
এআইয়ের ভুল পরামর্শে দাফন, কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা
কমলাপুরে ট্রেনে আগুন
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো ২০ টাকা