Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৪৫, ১ মে ২০২৬

এই চেয়ারে আগুনের তপ্ত হিট অনুভব করি: প্রধানমন্ত্রী

এই চেয়ারে আগুনের তপ্ত হিট অনুভব করি: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

সরকারপ্রধানের দায়িত্বকে ‘অত্যন্ত কঠিন ও চাপপূর্ণ’ হিসেবে বর্ণনা করে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে চেয়ারে তিনি বসেন, সেটি বাইরে থেকে যতটা আরামদায়ক মনে হয়, বাস্তবে ততটা নয়; বরং প্রতিনিয়ত সে চেয়ার তাকে দায়িত্বের কঠোর বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, এ চেয়ারটা দূর থেকে খুব আরামের মনে হতে পারে। কিন্তু আসলে এটি মোটেও আরামের চেয়ার নয়। এটি খুব কঠিন একটি জায়গা। এ চেয়ারে বসলে আমি প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি যে, আগুনের তপ্ত হিট বা তাপ আসছে।

নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনসভা বা সংসদে জনপ্রিয় বক্তব্য দিয়ে সহজেই হাততালি পাওয়া যায়। কিন্তু সরকার পরিচালনার দায়িত্বে বসলে সে সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনায় জনপ্রিয়তার চেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, এ চেয়ার আমাকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়—পপুলার ডিসিশন নয়, রাইট ডিসিশন নিতে হবে। অনেক সময় এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রিয় নয়; কিন্তু দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয়।

দেশের মানুষের প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক চাপ, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নানা সংকট মোকাবিলার দায় সরকারপ্রধানের দায়িত্বকে আরও কঠিন করে তোলে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি শুধু পপুলার ডিসিশনের পেছনে ছুটি, তাহলে হয়তো সাময়িক বাহবা পাওয়া যাবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ সময় তিনি সংসদ সদস্য এবং বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশেও আহ্বান জানান, যাতে রাজনৈতিক বক্তব্য ও আলোচনায় কেবল জনপ্রিয়তার রাজনীতি নয়, বরং রাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

সংসদীয় গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যখনই গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হয়েছে, তখনই দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

তার ভাষায়, অতীতে যতবার গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবার দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্বাস্থ্যখাত দুর্বল হয়েছে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে। তাই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা শুধু রাজনৈতিক প্রয়োজন নয়, এটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্যও অপরিহার্য।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে পেছালো বাংলাদেশ
অতীতের বিতর্ক নয়, নতুন ইতিহাস গড়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
শেষ হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন
এই চেয়ারে আগুনের তপ্ত হিট অনুভব করি: প্রধানমন্ত্রী
বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই
২০২৭ সালের নির্বাচনে ফিরছেন ফ্রাঁসোয়া অলাঁদ?
‘চট্টগ্রাম পানির নিচে’ প্রচার ছিলো অপপ্রচার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী
নির্বাচন ঠেকিয়ে দেয়ার ভয়ে জুলাই সনদে সই করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোয়াখালীতে শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন
১১ দেশ নিয়ে ভারতের সামরিক মহড়া, বাদ পড়লো বন্ধুরাষ্ট্র(?) বাংলাদেশ
পদত্যাগ না করেই নির্বাচনে লড়বো: তামিম ইকবাল
বেনাপোল-খুলনা-মোংলা কমিউটার ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল
রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি, ৭২-এর সংবিধানকে ‘মুজিববাদী’ আখ্যা
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিভাগীয় সমাবেশে ১১ দলের
‘জুলাই সনদকে প্রতারণার দলিলে পরিণত করেছে বিএনপি’
শিক্ষকদের ওপর হামলার জেরে ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার
হরমুজ সংকটে বিশ্ব তেলবাজারে তাণ্ডব