Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৩০, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ০১:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার
ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন ও আলোচনা করার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি দাবি করেন, চুক্তিটির কিছু ধারা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে পারে এবং সরকার চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি বাতিল করার সুযোগও রয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া এ চুক্তি নিয়ে তখনই বিভিন্ন মহলে আপত্তি উঠেছিলো। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তিটিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কিছু ধারা রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিলো এবং সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।

তিনি সংসদে বলেন, মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের-এর সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির-এর বৈঠকে ওই বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি আলোচনায় আসে।

রুমিনের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ পণ্য রফতানি করা হয়, তার তুলনায় আমরা আমেরিকা থেকে কম পণ্য আমদানি করি। এর ফলে একটি বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সেই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই এই চুক্তি করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়েও আপত্তি তোলেন এ সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, আমরা জানি, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তার মতে, তখন দেশের সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন থিংক ট্যাংক থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছিলো যে, একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি করার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা রয়েছে কি না।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, অনেকেই বলেছিলেন, নির্বাচনের পর একটি নির্বাচিত সরকার আসুক, তারপর এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হোক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অন্তর্বর্তী সরকার সে আহ্বান শোনেনি এবং ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি সই করা হয়।

এ সময় তিনি আরও বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে থামিয়ে দেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি কোনও পয়েন্ট অব অর্ডার নয়। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৩০১ বিধি অনুযায়ী পয়েন্ট অব অর্ডার চলমান কার্যসূচি বা সংসদের শৃঙ্খলা সম্পর্কিত হতে হয়। আপনি একটি নতুন বিষয় উত্থাপন করেছেন। নোটিশ দিলে তা বিবেচনা করা হবে।

তবে স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও এক মিনিট সময় চান। তখন তিনি বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে সরকার চাইলে এ চুক্তি বাতিল করতে পারে। তাই চুক্তিটি সংসদে আনা হোক।

জবাবে স্পিকার বলেন, এটিকে পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করতে পারছি না, দুঃখিত।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অলি আহমদ
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমিরের অভিনন্দন
কোনও ব্যক্তি দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না: দুদক চেয়ারম্যান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
চাঁদা না পেয়ে ঢামেক চিকিৎসকের ওপর হামলা
মুক্তি পেলে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সংঘাতে যাবেন না ইমরান: পিটিআই নেতা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে ভোট দেননি রুমিন
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন
ডাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, দ্রুত সিদ্ধান্ত ঢাবি প্রশাসনের
এক বিদ্যালয়ে দুই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, দ্বন্দ্বে ব্যাহত পাঠদান
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন করেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
একাদশে ভর্তি শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর