তারেক রহমানকে ভারত সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনেও তাকে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের সাম্প্রতিক বৈঠকটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক ছিলো। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।
রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং উচ্চপর্যায়ের সংলাপ চলছে। পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে দুই দেশ কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনটি আয়োজন করছে ভারত। ব্রিকসের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, আঞ্চলিক জোটগুলোর নেতৃত্বে থাকা দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের এ আমন্ত্রণকে আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও যোগাযোগ সহযোগিতা জোরদারে বিমসটেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে ব্রিকস বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট, যার কার্যক্রমের পরিধিও সাম্প্রতিক সময়ে বিস্তৃত হয়েছে।
দ্বিপক্ষীয় সফর ও ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়েও উচ্চপর্যায়ের আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























