দুর্গাপূজায় মাঠে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে সারা দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে বাহিনীটি।
বিজিবি সদর দফতরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিজিবি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখা হবে।
সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেই চিহ্নিত করা, গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বিজিবির এ কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদর দফতরের কাছাকাছি এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেয়া হবে। পাশাপাশি দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত টহল ও সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
রাজধানী ঢাকায় বিজিবি মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে বিজিবি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান আরও বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার দীর্ঘ ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রকাশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























