Sobar Desh | সবার দেশ আবু ইউসুফ


প্রকাশিত: ০১:৫৫, ২৩ জুলাই ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের লিজ, ডিসকাউন্ট ও সেলিব্রিটি কার্ড

চেতনার কত রঙ!

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এ ভণ্ডামি ও চেতনার সার্কাসে চিরদিনের জন্য আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে যে, একাত্তরের রক্তে অর্জিত দেশকে ২০২৪ সালে এসে কোনও একদলীয় স্বৈরাচারের ব্যক্তিগত জমিদারিতে পরিণত হতে দেয়া হবে না।

চেতনার কত রঙ!
ছবি: সবার দেশ

বাংলাদেশে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ একটি অত্যন্ত লাভজনক, করমুক্ত এবং সর্বরোগের মহৌষধতুল্য ব্যবসায়িক পণ্য। এ পণ্যের কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক বিগত সাড়ে পনেরো বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের দখলে ছিলো। বাজারব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বা মেয়াদ শেষ হলেও কেবল আকর্ষণীয় মোড়ক আর আবেগঘন বিজ্ঞাপনের জোরে ক্রেতাদের বাধ্য করা হতো তা গিলতে।

আর সে চেতনার মোড়কে ঢাকা পড়েছিলো কত শত জালিয়াতি, লুটপাট, হত্যা এবং চরম বৈষম্য। চেতনা ব্যবসায়ীদের থার্মোমিটারে মেপে নির্ধারণ করা হতো কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে ভুয়া, কে অপরাধী আর কে ধোয়া তুলসী পাতা। সে থার্মোমিটারের পারদ ওঠানামা করত সম্পূর্ণ নিজস্ব রাজনৈতিক সুবিধা ও পকেটের চর্বির ওপর ভিত্তি করে।

কুমিল্লা থেকে সংসদ ভবন: সুবিধার সুবিধাজনক চশমা

২০২৪ সালের শেষের দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক ঘটনার কথা ধরা যাক। আব্দুল হাই কানু নামের এক প্রবীণ ব্যক্তিকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়। খবর ছড়াতে সময় লাগেনি, উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ব্যস, অমনি চেতনার বাজারের পুরনো পাইকাররা ধোপাদুরস্ত পাঞ্জাবি পরে টকশোর টেবিলে ঝড় তুললেন— একাত্তর মুছে ফেলার চক্রান্ত চলছে! মুক্তিযোদ্ধার অবমাননা সহ্য করা হবে না!

কিন্তু পর্দার পেছনের ক্যানভাসে চোখ রাখলে দেখা যায় এক ভিন্ন বাস্তবতা। অভিযুক্ত ব্যক্তি কেবল মুক্তিসংগ্রামেই অংশ নেননি, পরবর্তী জীবনে ক্ষমতার চাদর মুড়ি দিয়ে এলাকায় নিজের এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। স্থানীয়দের ওপর অত্যাচার, জমি দখল এবং একাধিক হত্যা মামলার আসামি হিসেবে এলাকায় তার পরিচয় ছিলো আতঙ্কের অপর নাম। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ যখন অতিষ্ঠ হয়ে ক্ষমতার পরিবর্তন দেখে তার ওপর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাল, তখন অপরাধের বিচার না চেয়ে সে অপরাধকে ঢাকার জন্য টেনে আনা হলো 'মুক্তিযোদ্ধা' কার্ড। অর্থাৎ, আপনার হাতে যদি মুক্তিযুদ্ধের সনদ থাকে, তবে আপনি অপরাধ করলেও আপনার গায়ে হাত দেয়া যাবে না; দিলে তা হবে 'চেতনার ওপর আক্রমণ'।

অথচ এ একই চেতনার ব্যবসায়ীরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অন্ধ হয়ে থেকেছেন যখন বিপরীত আদর্শের কোনও বীর মুক্তিযোদ্ধা রক্তাক্ত হয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা যখন ক্যান্সারের শেষ পর্যায়ে নিউ ইয়র্কের হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আকুতি জানিয়েছিলেন— আমি আমার নিজ হাতে স্বাধীন করা স্বাধীন বাংলাদেশে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই— তখন চেতনাবাজ সরকারের পাসপোর্টের লাল ফিতা আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা সে অসিয়তটুকুও পূরণ হতে দেয়নি। নিজের স্বাধীন করা মাটিতে মরার অধিকারটুকুও পাননি একাত্তরের সে বীর গেরিলা যোদ্ধা। তখন চেতনার রিটেইল কাউন্টারে কোনও প্রতিবাদ জমা পড়েনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাহজাহান সিরাজ কিংবা সেক্টর কমান্ডারদের যখন রাজনৈতিক কারণে অপমানিত হতে হয়েছে, তখন এ ব্যবসায়ীরা ‘স্পিকটি নট’ হয়ে বসে ছিলেন। কারণ, তাদের কাছে চেতনার রঙ নির্দিষ্ট; যে রঙে ক্ষমতার মসনদের প্রলেপ দেয়া যায় না, সে রঙ তাদের ব্র্যান্ডের সাথে মেলে না।

হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন: প্রবীণ কমরেডদের 'জুলাই স্পেশাল' চেতনা

১৯৭১ সালের বীরত্ব আর ২০২৪ সালের গণহত্যার মধ্যবর্তী দূরত্বটা বেশ দীর্ঘ, কিন্তু কিছু মানুষের জন্য তা চোখের পলকমাত্র। হাসানুল হক ইনু কিংবা রাশেদ খান মেননদের মতো তথাকথিত বামপন্থী ও মুক্তিযোদ্ধা নেতাদের কথা চিন্তা করা যাক। জীবনের একপর্যায়ে যারা সাম্রাজ্যবাদ আর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতেন, ক্ষমতার হালুয়া-রটির ঘ্রাণ পেয়ে তারা হয়ে উঠলেন স্বৈরাচারের সবচেয়ে বাধ্যগত অনুচর।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যখন রাজপথে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার বুক ঝাঁঝরা করে দেয়া হচ্ছিলো হেলিকপ্টার আর স্নাইপার দিয়ে, তখন এ চেতনার আড়তদাররা এসির ঠান্ডা ঘরে বসে টিভিতে বার্তা দিচ্ছিলেন— আন্দোলনকারীদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে, এরা সব দেশদ্রোহী, রাজাকার! বিনা ভোটের নির্বাচনে অংশ নিয়ে, দিনের ভোট রাতে করার বন্দোবস্ত করে, এক ব্যক্তির শাসনকে দীর্ঘায়িত করার বৈজ্ঞানিক ফর্মুলা সরবরাহ করে তারা চেতনার এমন এক নতুন ভার্সন বাজারে ছেড়েছিলেন, যার নাম দেয়া যায় 'ফ্যাসিবাদের পাহারাদার চেতনা'।

পরবর্তীতে যখন গণঅভ্যুত্থানের পর তাদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলো, তখন আবার কিছু অর্বাচীন 'প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা' ও 'প্রগতিশীলতার' দোহাই দিয়ে তাদের পক্ষে বিবৃতি দেয়ার পায়তারা করলেন। অর্থাৎ, একাত্তরে একবার যুদ্ধ করেছিলেন বলে ২০২৪ সালে হাজারও তরুণের রক্তে হাত রাঙালেও তারা মাফ পেয়ে যাবেন! এটা যেনো কোনও গেমিং পয়েন্ট— একাত্তরের ৫০ পয়েন্ট দিয়ে ২০২৪ সালের ১০টি খুন মাফ করানো যাবে! বাহ, কী চমৎকার গাণিতিক হিসাব!

খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদ ও বেইলি ব্রিজ উধাও: প্রতিহিংসার প্রকৌশল

চেতনার বৈষম্য কেবল জীবন্ত মানুষের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা প্রসারিত হয়েছিলো শহীদ বীরদের স্মৃতিস্তম্ভ এবং ঐতিহাসিক সত্যের ওপরও। স্বাধীনতার ঘোষক, সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির ওপর কতটুকু বিদ্বেষ বর্ষণ করা যায়, তা বিগত দেড় দশকে জাতি চাক্ষুষ করেছে। সংসদ ভবন এলাকা থেকে তার মাজার সরিয়ে নেয়ার নিত্যনৈমিত্তিক হুমকি তো ছিলোই, এমনকি সাধারণ মানুষ যাতে সহজেই তার মাজারে গিয়ে একমুঠো দোয়া পড়তে না পারে, সেজন্য লেকের ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি পর্যন্ত তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো!

আরও পড়ুন <<>> ফ্যাসিবাদের বিচার, নাকি আবেগের আদালত?

আর জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী, তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেভাবে মইনুল রোডের তার দীর্ঘদিনের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন থেকে এক কাপড়ে, চোখের জলে টেনে-হিঁচড়ে বের করে দেয়া হয়েছিলো, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন কালো অধ্যায়। যে বাড়িতে একাত্তরে এক বীর উত্তম সেনাপতির স্মৃতি জড়িয়ে ছিলো, যে বাড়ি থেকে একটি পরিবার দীর্ঘ সময় দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে, সে বাড়িটি উচ্ছেদ করার সময় চেতনার পাহারাদাররা উল্লাসে ফেটে পড়েছিলেন। তখন তাদের কাছে 'একজন বীর উত্তম মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সম্মান' কোনও বিষয়ই ছিলো না। কারণ, তাদের নির্মিত চেতনার ডেফিনিশনে জিয়াউর রহমান বা খালেদা জিয়ার নাম রাখা নিষেধ ছিলো।

'চেতনা ট্রেডার্স লি.': ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের ক্যালিডোস্কোপ

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। কিন্তু এ শব্দ দুটিকে যখন কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের লোগো বানিয়ে ফেলা হয়, তখনই জন্ম নেয় চরম প্রহসন। আওয়ামী লীগ ও তার অনুসারী সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিজীবী সিন্ডিকেট দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে এ ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের রাজনীতি সফলভাবে পরিচালনা করে এসেছে।

আসুন, তাদের কালার কোডেড চেতনার কিছু বৈচিত্র্যময় নমুনা দেখে নেয়া যাক:

  • দলীয় হলে মহীয়সী, বিরোধী হলে রাজাকার: আওয়ামী লীগ সমর্থিত কোনও ব্যক্তি যদি ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেন, তবে তা 'আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বন্ধুত্বের প্রতীক'। আর বিরোধী দলের কেউ যদি সামান্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার প্রদর্শন করেন, তবেই তিনি 'সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দেয়া দেশদ্রোহী'।
  • সংস্কৃতিকর্মীদের পিক অ্যান্ড চুজ নীতি: বিগত শাসনামলে একশ্রেণীর শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরা সরকারের কাছ থেকে প্লট, অনুদান ও জাতীয় পদক বাগিয়ে নিতে 'মুজিব বন্দনা'য় মত্ত ছিলেন। শাহবাগে আন্দোলন থেকে শুরু করে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাকের পাহারা— সবখানেই তারা ছিলেন সামনের সারিতে। তবে ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী দিনগুলোতে যখন রাজপথে শত শত প্রাণ ঝরছিলো, তখন মেহের আফরোজ শাওন বা মাহিয়া মাহির মতো তারকারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দিয়ে বিপ্লবকে 'নাটক' বা 'পরিকল্পিত ঘটনা' হিসেবে আখ্যা দিচ্ছিলেন। অথচ এদেরই সহকর্মীরা যখন বিরোধী সরকারের আমলে কোনও সামান্য সমালোচনার মুখে পড়তেন, অমনি 'শিল্পীর স্বাধীনতা বিপন্ন' বলে সারা দুনিয়া তোলপাড় করা হতো।
  • প্রশাসনের চেতনার স্ক্যানার: আওয়ামী আমলের দীর্ঘ ১৫ বছরে বিসিএস পরীক্ষা থেকে শুরু করে যেকোনও সরকারি চাকরির ভেরিফিকেশনে মেধার চেয়ে বড় যোগ্যতা ছিলো প্রার্থী বা তার চৌদ্দগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে কিনা। পীরগাছার সে দুই ভাই সাঈদী ও আসাদের কথা স্মরণ করা যায়, যাদের শত মেধা ও বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও কেবল পরিবার বিএনপির সাথে যুক্ত থাকার অপরাধে চাকরি দেয়া হয়নি। রংপুর স্পেশাল এসপি বিপ্লব সরকার তখন নির্দ্বিধায় বিকারহীনভাবে বলে দিয়েছিলেন— শেখ হাসিনা আমাকে বিএনপি পরিবারের সন্তানদের বিসিএসে চাকরি দেয়ার জন্য পাঠাননি। অথচ এ স্পেশাল ক্যাডারের কর্মকর্তারাই যখন ক্ষমতার পটপরিবর্তনে পালিয়ে বেড়ান, তখন তারা নিরপেক্ষতার কথা বলেন!

সার্কাসের সমাপ্তি ও জাগ্রত গণচেতনা

মুক্তিযুদ্ধের মূল স্পিরিট বা চেতনা ছিলো বৈষম্যহীন সমাজ, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও তার পেটুয়া বাহিনী 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' শব্দ দুটিকে ব্যবহার করেছিলো নিজেদের যাবতীয় চুরি, দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, গুম, খুন ও জালিয়াতি ঢাকার ঢাল হিসেবে। তাদের তৈরি ফ্যান্টাসি জগতে, দেশকে লুটপাট করে টাকা পাচার করলেও আপনি 'দেশপ্রেমিক', যদি দিনশেষে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে একজন বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীকে পিটিয়ে মারতে পারেন।

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এ ভণ্ডামি ও চেতনার সার্কাসে চিরদিনের জন্য আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে যে, একাত্তরের রক্তে অর্জিত দেশকে ২০২৪ সালে এসে কোনও একদলীয় স্বৈরাচারের ব্যক্তিগত জমিদারিতে পরিণত হতে দেয়া হবে না।

আজ যখন সে তথাকথিত চেতনা ব্যবসায়ীদের মুখোশ একে একে খুলে পড়ছে, তখন সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে— এতোদিন তারা যে চেতনার বাণী শুনে এসেছেন, তা আসলে ছিলো ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকার এক অপকৌশল মাত্র। সত্যিকার অর্থেই, চেতনার কত রঙ! ক্ষমতার সুবিধেমতো যে রঙের পরিবর্তন হয়, যে রঙে কেবল নিজের পকেট ও পিঠ বাঁচানো যায়, তা আর যাই হোক, একাত্তরের ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের রক্তের সাথে সম্পর্কিত কোনও চেতনা হতে পারে না। তা ছিলো কেবলই 'চেতনা ট্রেডার্স লিমিটেড'-এর একটি লাভজনক বাণিজ্যিক পণ্য, যার মেয়াদ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে চিরতরে শেষ হয়ে গেছে।

লেখক ও সংবাদকর্মী

শীর্ষ সংবাদ:

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা
ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, চাপে মোদি
বিএনপিকে ‘সন্ত্রাসী কার্ড’, ছাত্রদলকে ‘চাঁদাবাজি কার্ড’ দিবো: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী
এমপি পদও কি হারাবেন গাজী নজরুল? যা বলছে সংবিধান ও ইসি
শিক্ষার্থী বিক্ষোভে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক অভিনেত্রী আয়েশা খান
পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি
গাজী নজরুলকে এমপি পদ ছাড়ার আলটিমেটাম জামায়াতের
মেঘনায় সাপের কামড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু
সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলেই ৫ শতাংশ প্রণোদনা
জামায়াত থেকে বহিষ্কার গাজী নজরুল ইসলাম
তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই—নিম্নাঞ্চলে বন্যা আতঙ্ক
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে দিল্লিমুখী কৃষকরা
এনআইডি সংশোধনে স্বস্তি, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন হবে আরও দ্রুত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত
মেসি আমার আদর্শ, তার হার দেখতে ভালো লাগে না: কুবার্সি
সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা